ব্যবসা

শেয়ার বাজার কি? বিনিয়োগের নিয়ম এবং যাবতীয় তথ্য

সময়ের সাথে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব। পরিবর্তন ঘটছে চিন্তার, উদ্ভাবন হচ্ছে নতুন নতুন প্রযুক্তি। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে মানুষের মনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার, পরিবারকে ভালো রাখার আকাঙ্খা তীব্র হচ্ছে, যার দরুন উদ্ভাবন হচ্ছে বাড়তি আয় করার নতুন নতুন মাধ্যম।

স্বাভাবিকভাবে মানুষের উপার্জনের মাধ্যম হলো চাকরি, ব্যবসা কিংবা ফ্রিল্যান্সিং। তবে বেশ কয়েক বছর হল আয়ের নতুন মাধ্যম হিসেবে যুক্ত হয়েছে শেয়ার বিজনেস, যা আসলে একধরনের ব্যবসা হলেও সকলে এ বিষয়ে তেমন জানেন না।পশ্চিমা বিশ্বে শেয়ার বাজার অত্যন্ত জনপ্রিয় এক নাম। সময়ের প্রবাহে বাংলাদেশেও শেয়ার ব্যবসার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষ ঝুঁকছে শেয়ার বাজারের দিকে। এই লেখার মাধ্যমে আমরা শেয়ার বাজারের খুঁটিনাটি জানবো। l

শেয়ার বাজার কী?

বর্তমান সময়ে টেলিভিশন কিংবা পত্রিকায় শেয়ার বাজার শব্দটি নিয়মিত দেখা যায়। তাছাড়া বিভিন্ন মহলেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে শেয়ার বাজার। শেয়ার (Share) শব্দটির বাংলা অর্থ অংশ বিনিময় কিংবা ভাগাভাগি করা। শেয়ার বাজারও তেমনই একটি বিষয়। অর্থাৎ শেয়ার বাজার বলতে কোনো প্রতিষ্ঠান কিংবা কোম্পানির মালিকানার নির্দিষ্ট অংশ ক্রয়-বিক্রয়কে বোঝায়। যেকোনো প্রতিষ্ঠান শেয়ার বাজারে প্রবেশ করে তাদের মালিকানার কিছু অংশ বিক্রি করে আর এই শেয়ার কিনে নেয় কোনো ব্যক্তি কিংবা ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। আয় বাড়ানোর জন্য মূলত শেয়ার বিক্রি করা হয় আবার লাভের আশাতেই সেই শেয়ারের অংশ অন্য প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কিনে নেয়। এই শেয়ারের পরিমাণ ছোট-বড় যে কোনো রকমের হতে পারে। শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের এই প্রক্রিয়াটিই শেয়ার বাজার নামে পরিচিত।

শেয়ার বাজারের কার্যপদ্ধতি

শেয়ার বাজারের কার্যপদ্ধতি পরিচালিত হয় শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে। কেউ যেকোনো শেয়ারের যতোটুকু অংশ কিনবে সে ওই অংশটির মালিক হিসেবে গণ্য হবে। শেয়ারের লাভ বা ক্ষতির অংশ নির্ধারণ করা হয় শেয়ারের অনুপাত অনুসারে। অর্থাৎ যার শেয়ারের অনুপাত বেশি তার লাভ কিংবা ক্ষতির অনুপাতও বেশি হবে।

শেয়ার বেচা-কেনার ক্ষেত্রেও কিছু নিয়ম-নীতি মেনে চলতে হয়। নিবন্ধিত কোম্পানি যেমন পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির মতো নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনা-বেচার ক্ষেত্রে সরকারের হস্তক্ষেপ থাকে। এই সকল শেয়ার কেনা-বেচা করা হয় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থমন্ত্রণালয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে। এই শেয়ার নিয়ন্ত্রণ করে থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

শেয়ার বাজারের খুঁটিনাটি

শেয়ার বাজারকে আন্তর্জাতিকভাবে শেয়ার বিজনেস বা স্টক বিজনেস বলা হয়। শেয়ার বাজারে অনেকেই হরহামেশা বিনিয়োগ করেন। বিষদ না জেনে, উক্ত বিষয়ে পড়ালেখা না করে নামার কারণে লসের ভাগিদার হতে হয়। শেয়ার সাধারণত যেকোনো কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের ছোট একটা অংশ হতে পারে। যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান শেয়ারটি কিনতে পারে। শেয়ার কিনলে উক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বলা হয় শেয়ার হোল্ডার।

শেয়ার বাজারের মূল লক্ষ্য হলো কোম্পানির ব্যবসা বাড়াতে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় টাকার চাহিদা পূরণের মাধ্যমে ব্যবসা যেন আরো সুন্দর করে করা যায় সেই উপযোগী করে তোলা। মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয় আইপিও-এর মাধ্যমে। মূলত শেয়ার বাজারের লক্ষ্যই হলো লাভ করা। নিজ ইচ্ছায় অনেকে নিজের পছন্দের কোম্পানির শেয়ার কেনেন কিংবা বিনিয়োগ করেন, এতে করে উদ্যোক্তা অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির মালিক এবং বিনিয়োগকারী উভয়েরই লাভ হয়।

শেয়ার বাজারে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে যে মূলধন ব্যবহৃত হয় তাকে বলা হয় ক্যাপিটাল। সাধারণভাবে বলা যায় একটি শেয়ার একটি কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের মূলধনের ক্ষুদ্রতম অংশ।  মোট শেয়ার সংখ্যার হিসাবকে এভাবে সঙ্গায়িত করা যায়। যেমন, মোট মূলধনের টাকাকে দশ টাকা হিসাবে ভাগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে মোট শেয়ার সংখ্যা বলা হয়।

একটা উদাহরণ দিলে বিষয়টা পরিষ্কার হবে। যেমন, যদি একটি কোম্পানির ৪৫ কোটি টাকা মূলধন থাকে তবে ১০ টাকা হিসাবে ভাগ করলে সেই কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা দাঁড়ায় ৪.৫ কোটি। তবে যদি কেউ কোনো কোম্পানির শেয়ার কিনে থাকে তাহলে সে ওই কোম্পানির আংশিক কিংবা যতোটুকু অংশের শেয়ার কিনেছেন তার মালিক হবেন। 

শেয়ার বাজারে আইপিও

Initial Public Offering এর বাংলা অর্থ দাঁড়ায় প্রাথমিক গণপ্রস্তাব। Initial Public Offering এর সংক্ষিপ্ত রূপই হলো IPO বা আইপিও, যা শেয়ার বাজারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

নিজেদের মূলধন সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন লিমিটেড কোম্পানিসমূহ প্রাইমারী মার্কেটে শেয়ার অফার করে থাকে। সাধারণ জণগণ অর্থাৎ যে বা যারা শেয়ার কিনতে চান তারা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা অফারকৃত সেই শেয়ার কেনার জন্য আবেদন করে থাকে। এই প্রক্রিয়াটিই আইপিও।

শেয়ার বাজারে শেয়ার ক্রয়ের আবেদনকারীর আনুপাতিক হারে শেয়ার বন্টন করা হয়। প্রত্যেক আবেদনকারীকে সর্বনিম্ন ১০,০০০ টাকা প্রদান করে আইপিও আবেদন করতে হয়। আইপিওকে ঝুঁকিমুক্ত বিনিয়োগ পদ্ধতি বলা হয় এর সুশৃঙ্খল কার্যপদ্ধতির কারণে।

শেয়ারের প্রকারভেদ

শেয়ার বাজারে শেয়ারের বিভিন্ন প্রকারভেদ রয়েছে। শেয়ারের পদ্ধতি নির্বাচন করেই কোনো প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করে থাকে। শেয়ার বাজারে ৫ ধরণের শেয়ার রয়েছে। এগুলো হলো-

  • ইক্যুইটি শেয়ার বা সাধারণ শেয়ার ( Equity or common share)
  • প্রেফারেন্স শেয়ার বা অগ্রাধিকার শেয়ার (Preference share) 
  • নন ভোর্টিং সাধারণ শেয়ার (Non-voting common share)
  • কিউমুলেটিভ প্রেফারেন্স শেয়ার (Cumulative Preference share)
  • রিডেমেবল শেয়ার (Redeemable share)

পাঁচ ধরণের শেয়ার থাকলেও প্রচলন আছে মাত্র দুই ধরণের শেয়ারের। এগুলো হলো-

১. ইক্যুইটি বা সাধারণ শেয়ার

২. প্রেফারেন্স বা অগ্রাধিকার শেয়ার

ইক্যুইটি বা সাধারণ শেয়ার 

ইক্যুইটি শেয়ার বলতে বোঝায়, যে শেয়ারের মালিকেরা সাধারণ অধিকারের ভিত্তিতে লভ্যাংশ ভোগ করেন এবং মূলধন ফেরত পান। কিন্তু তবুও কোম্পানিতে তাদের দায়িত্ব এবং অধিকার থাকে, তাকেই ইক্যুইটি বা সাধারণ শেয়ার বলা হয়।

ইক্যুইটি শেয়ারের মতে, কোনো বছর কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান কোনো লভ্যাংশ না পেলে উক্ত কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের শেয়ারধারীরাও কোনো প্রকার লভ্যাংশ পাবেন না।

প্রেফারেন্স বা অগ্রাধিকার শেয়ার 

লভ্যাংশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে যে শেয়ার মালিকরা অগ্রাধিকার পায় সেই শেয়ারকে প্রেফারেন্স বা অগ্রাধিকার শেয়ার বলা হয়। শেয়ারধারীরা কতো হারে মুনাফা পাবে এই শেয়ারে তা উল্লেখ থাকে।

শেয়ার বাজারে স্টক এক্সচেঞ্জ

স্টক এক্সচেঞ্জ নামটির সাথে আমরা কম-বেশি সবাই পরিচিত। বিশেষ করে শেয়ার বাজারের অতি পরিচিত নাম স্টক এক্সচেঞ্জ। সাধারণত কোনো কোম্পানির শেয়ার যেখানে ক্রয়-বিক্রয় করা হয়ে থাকে তাকে স্টক এক্সচেঞ্জ বলা হয়। শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড, সরকারি বা বেসরকারি আর্থিক সামগ্রি কেনা-বেচার মাধ্যমই হলো স্টক এক্সচেঞ্জ। 

বাংলাদেশে দুটো স্টক এক্সচেঞ্জ অফিস রয়েছে। একটি হলো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ অফিস অপরটি হলো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ অফিস। বাংলাদেশ সিকিউরিটি ও এক্সচেঞ্জ কমিশন এই অফিস দুটো পরিচালনা করে। 

স্টক এক্সচেঞ্জ হলো শেয়ার কেনা-বেচার একটি বিশ্বস্ত প্লাটফর্ম। এখানে কোম্পানি ও শেয়ার ক্রেতারা বিশ্বাসের সাথে শেয়ার কেনা-বেচা করতে পারে।

স্টক এক্সচেঞ্জ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদন করে। এর উল্লেখযোগ্য কিছু কাজ হলোঃ

  • শেয়ার বাজারে ইচ্ছুক কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত হয় স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে।
  • শেয়ার বাজারে স্টক এক্সচেঞ্জ-এর তালিকাভুক্ত কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানগুলোকে তালিকাভুক্ত করার সময় কোম্পানিগুলোকে যে সকল শর্ত দেওয়া হয়েছিলো সেগুলো তারা সঠিক ভাবে মেনে চলছে কি না এবং সেই সাথে সদস্যগণের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করা।
  • বিনিয়োগকারীদের প্রশিক্ষণ প্রদানসহ বিক্রিত শেয়ারের লেনদেন সম্পাদনের ব্যবস্থা করা। 
  • ক্রয়-বিক্রয় নিয়ন্ত্রণ ও দেখভাল করার জন্য বড় আকারের স্থাপনা ও সফটওয়্যার এর ব্যবস্থা করা।
  • ব্রোকার হাউজ পর্যবেক্ষণ করা।

শেয়ার বাজারে ব্রোকার হাউজ কি?

স্টক এক্সচেঞ্জের অনুমোদিত বহু এজেন্ট রয়েছে এগুলো ব্রোকার হাউজ নামে পরিচিত। মূলত ব্রোকার হাউজ হলো সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন থেকে লাইসেন্সধারী একটি প্রতিষ্ঠান। শেয়ার বাজারে ক্রয়-বিক্রয়, আইপিও-এর টাকা জমা নেওয়া, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য কাজ করা ইত্যাদি হলো ব্রোকার হাউজের প্রধান কাজ। ব্রোকার হাউজ কী তা সহজভাবে বলতে হলে বলা যায়, ব্রোকার হাউজ হলো কিছু লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান যারা শেয়ার বাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হয়ে কাজ করে।

ব্যাংক সম্পর্কে আমাদের কম-বেশি সবারই ধারণা রয়েছে। সেই ধারণা থেকে বলা যায় ব্রোকার হাউজ ব্যাংকের মতো কাজ করে। ব্যাংক যেমন একাউন্ট খোলা, টাকা জমা নেওয়াসহ বিভিন্নভাবে সাধারণ মানুষকে সাহায্য করে, তেমনি ব্রোকার হাউজও বিনিয়োগকারীদের বিও একাউন্ট খুলে দেয়। এছাড়াও প্রাইমারী ও সেকেন্ডারি মার্কেট থেকে শেয়ার কেনার জন্য টাকা নেওয়া, অনলাইন সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের নির্দেশ অনুযায়ী কেনা-বেচা করা এবং লোন দেওয়ার কাজ করে থাকে। ব্রোকার হাউজের প্রদানকৃত লোনকে মার্জিন লোন বলা হয়।

ব্রোকার হাউজ নির্বাচনেও সচেতন থাকা জরুনী কেননা সব ব্রোকার হাউজ সঠিক সেবা প্রদান করে না। ব্রোকার হাউজে কেনা-বেচার জন্য ব্রোকার একাউন্টের পাশাপাশি বিও একাউন্ট থাকতে হবে।

বিও একাউন্ট কি?

Beneficiary Owner’s এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো BO বা বিও। বিও একাউন্ট হলো ব্যাংক একাউন্টের মতো যা ব্রোকার হাউজে খুলতে হয়। বিও একাউন্টের মাধ্যমেই একজন বিনিয়োগকারী শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে পারেন। বিও একাউন্ট ব্যাংক একাউন্টের মতো হলেও এখানে টাকা জমা কিংবা উত্তোলনের সময় সর্বনিম্ন আমানত সংরক্ষণের প্রয়োজন নেই।

বিও একাউন্ট খোলার নিয়ম

  • আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে এবং তার দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি লাগবে।
  • আবেদনকারী, জয়েন্ট আবেদনকারী এবং নমিনির ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি থাকতে হবে। এবং নমিনির ছবি থাকতে হবে। স্মার্ট কার্ড না থাকলে অনলাইন কপি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করেও কাজ চালানো যাবে।
  • ব্যাংক একাউন্ট থাকতে হবে এবং ব্যাংক চেকের স্ক্যানকৃত ছবি দিতে হবে। উপরোক্ত মৌলিক বিষয় ঠিক থাকলে চারটি ধাপে বিও একাউন্ট খোলা যায়।

ধাপ ১ঃ রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। রেজিস্ট্রেশন করতে প্রয়োজন হয় একটি ই-মেইল আইডির। ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হয়।

ধাপ ২ঃ অনলাইন বিও ফরম পূরণ করতে হয়। অনলাইন ফরম পূরণ করতে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করতে হয়। সাধারণত রেজিস্ট্রেশনের সময় দেওয়া আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার পর বিও ফরম আসে। বিও একাউন্ট খোলার সময় একাউন্টটি যৌথ একাউন্ট হবে নাকি একক একাউন্ট হবে এই দিকটা খেয়াল রাখতে হয়। এটি নির্ধারণের পর যাবতীয় তথ্য দিয়ে ফরম পূরণ করে Save & Confirm বাটনে ক্লিক করে পরবর্তী ধাপে যেতে হয়।

ধাপ ৩ঃ  Attachment Pannel এ ক্লায়েন্ট এবং নমিনির সম্প্রতি তোলা ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের স্ক্যান কপি অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্ক্যান কপি সংযুক্ত করতে হবে। এই পর্যায়ে ব্যাংক একাউন্টও সংযুক্ত করতে হবে। সিগনেচার সাবমিটের পর পরবর্তী ধাপে যেতে হয়। 

ধাপ ৪ঃ পেমেন্ট পদ্ধতি আসে। বিও একাউন্টে বিভিন্ন উপায়ে পেমেন্ট করা যায় যেমনঃ বিকাশ, নগদ, রকেট, ইউপে, ডিমানি, এম ক্যাশ, মাই ক্যাশ, এবি ক্যাশ, টি ক্যাশ, ওকে ওয়ালেট, সিউর ক্যাশ এমন কিছু মাধ্যম। তাছাড়া ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং এর মধ্যে রয়েছে এবি ব্যাংক, ইসলামিক ব্যাংক, সিটি টাচ, এম টি বি, ব্যাংক এশিয়া, ট্যাপ এন পে, আই পে এর মতো পেমেন্ট সার্ভিস। এছাড়াও ডমেস্টিক ভিসা কার্ড, মাস্টার কার্ড, নেক্সাস ডেবিট কার্ড এবং ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বিও একাউন্টের পেমেন্ট পরিশোধ করা যায়।

একটি বিও একাউন্ট খুলতে এককালীন ৪৫০ বা ৫০০ টাকা খরচ হয়। তাছাড়া প্রতি বছর জুন মাসে বিও একাউন্ট রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৪৫০ টাকা প্রদান করতে হয় সিডিবিএল কে। 

শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের নূন্যতম টাকার পরিমাণ কত?

শেয়ার বাজার নিয়ে টেলিভিশন, পত্রপত্রিকায় বিভিন্ন খবর দেখে দেখে অনেকেই ভাবে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। কিন্তু ব্যাপারটা এমন না, খুব বেশি টাকার প্রয়োজন নেই বিনিয়োগ করতে।

শেয়ার বাজারে সাধারণত দুইভাবে বিনিয়োগ করা যায়। বিনিয়োগের একটি মাধ্যম হলো আইপিও মার্কেট যা প্রাইমারি মার্কেট নামে বেশি পরিচিত। অন্য বিনিয়োগ মাধ্যমটি হলো সেকেন্ডারি মার্কেট। 

আইপিও বা প্রাইমারি মার্কেট সম্পর্কে পূর্বে কিছু ধারণা দেওয়া হয়েছে। তা থেকে এটি পরিষ্কার যে আইপিও হলো ঝুঁকিমুক্ত বিনিয়োগ পদ্ধতি। বিনিয়োগে ঝুঁকি না থাকায় মানুষ প্রাইমারি মার্কেটে বেশি বিনিয়োগ করে এবং লভ্যাংশও পায় মোটাদাগে।

আইপিও-এর মাধ্যমে শেয়ার বাজারে প্রবেশ করতে হলে নূন্যতম ৫০০০ টাকা থেকে ৬০০০ টাকা বিনিয়োগ করতে হয়। তবে প্রাইমারি বা আইপিও মার্কেটে বিনিয়োগকৃত টাকার পরিমাণ নির্দিষ্ট না। অনেক কোম্পানি তাদের শেয়ার ফেস ভ্যালুর উপর নির্ভর করে বিনিয়োগ করে আবার অনেক কোম্পানি প্রিমিয়ার নিয়ে থাকে যে কারণে বিনিয়োগের পরিমাণ নির্দিষ্ট না।

অন্যদিকে সেকেন্ডারি মার্কেটে ক্রেতা তার স্বাচ্ছন্দ্য অনুযায়ী বিনিয়োগ করতে পারে। তবে বিনিয়োগের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি কেননা যেখানে আইপিও মার্কেটে ৫০০০-৬০০০ টাকা বিনিয়োগ করতে হয় সেখানে সেকেন্ডারি মার্কেটে নূন্যতম ২০০০০ টাকা বিনিয়োগ করা ভালো। যদিও এর থেকে কম টাকা বিনিয়োগ করা যায় কিন্তু এতে লোকশানের আশঙ্কা থাকে। 

শেয়ার বাজারে নামার আগে একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে তা হলো, শেয়ার বাজারে টাকা বিনিয়োগের সাথে ধৈর্য্য বিনিয়োগ করতে হবে নয়তো লোকশান নিশ্চিত।

শেয়ার বাজার নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা 

বর্তমানে শেয়ার বাজার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ব্যবসা পদ্ধতি। আন্তর্জাতিকভাবে অনেক আগে থেকে জনপ্রিয়তা পেলেও বাংলাদেশে এর জনপ্রিয়তা সম্প্রতি বেড়েছে। তবে জনপ্রিয়তা বাড়লেও মানুষের মাঝে শেয়ার বাজার নিয়ে বেশ কিছু ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। বিভিন্ন সময়ই শেয়ার বাজারকে জুয়া খেলার সাথে তুলনা করতে দেখা যায়। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। শেয়ার বাজারে সম্পৃক্ত মানুষরা এই কথাটি শুনতে অভ্যস্ত। কিন্তু যারা এসব বলে তাদের সিংহভাগেরই নেই শেয়ার বাজার নিয়ে নূন্যতম ধারণা।

জুয়া খেলার সাথে তুলনা করলেও জুয়া খেলার সাথে শেয়ার বাজারের মিল নেই। সাধারণত জুয়া খেলায় টাকা বিনিয়োগ করলে হয় লাভ পাওয়া যায় নয়তো সম্পূর্ণ টাকা গচ্ছা যায়। কিন্তু শেয়ার বাজারে এমনটা হয় না। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করলে লাভ নয়তো লস হয়, মূলধন শূণ্য হয় না কখনো। শেয়ার বাজারে প্রতিনিয়ত শেয়ারের দাম বাড়তে কিংবা কমতে থাকে। শেয়ারের দাম কমার আগে কোনোভাবে বুঝতে পারলে শেয়ার বিক্রি করে লোকসানের হাত থেকে বাঁচা যায়।

শেয়ার বাজার নিয়ে প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণার মধ্যে আরেকটি হলো, “শেয়ার ব্যবসা ধনীদের ব্যবসা “। শেয়ার বাজার নিয়ে এই কথাটাই তুলনামূলক বেশি শোনা যায়। কিন্তু পরিসংখ্যান ঘাটলে দেখা মেলে ভিন্ন চিত্র। বাংলাদেশের ৭০% বিনিয়োগকারীই অল্প পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে শেয়ার বাজারে প্রবেশ করেছে যা থেকে ধনী গরীব বিচার করা বোকামি। তবে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের পরিমাণ যতো বেশি হবে লাভ তত বেশি হবে। 

শেয়ার বাজারে দাম হঠাৎ বাড়ে আবার হঠাৎ কমে যায়। দাম কমার পর অধিকাংশ বিনিয়োগকারীরই ধারণা দাম অল্প সময়ের মধ্যে বেড়ে যাবে যে কারণে স্টকে রাখে। পরবর্তীতে দেখা যায় দাম বাড়ার থেকে দাম আরো কমছে হুহু করে। যার ফলে লাভের চেয়ে লসের আশঙ্কাই বেশি থাকে।

শেয়ার বাজার নিয়ে আরেকটি ভ্রান্ত ধারণা হলো শেয়ার বাজার পুরোটাই ভাগ্য নির্ভর তাই অনেকেই বলে থাকে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে জ্ঞানের দরকার নেই, অর্থই যথেষ্ট। যা পুরোপুরি ভুল। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের আগে শেয়ার বাজার সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান অর্জন জরুরী। নয়তো লাভের আশা বাদ দিয়ে লসের ভাগী হতে হবে। তাই শেয়ার বাজারে প্রবেশের পূর্বশর্ত হলো শেয়ার বাজার নিয়ে পর্যাপ্ত পড়ালেখার।

ঘরে বসে শেয়ার কেনা-বেচার উপায়

শেয়ার কেনা-বেচাই হলো শেয়ার বাজারের মূল কার্যক্রম। শেয়ার কেনা-বেচার মধ্য দিয়েই আয় হয়। শেয়ার বাজারে যারা নতুন প্রবেশ করেছে তাদের অনেকেরই প্রশ্ন কীভাবে শেয়ার বাজারে কেনা-বেচা হয়, ঘরে বসে শেয়ার কেনা যায় কিনা!

ঘরে বসে শেয়ার কেনা যায় কিনা এর উত্তর হলো, ঘরে বসে দেশ কিংবা দেশের বাইরের শেয়ার কেনা-বেচা করা যায়। ঘরে বসে ব্রোকার হাউজের মাধ্যমে টাকা লেনদেনের মাধ্যমে শেয়ার কেনা-বেচা করা যায়। 

শেয়ার কেনা-বেচা করা আরো সহজ হয়েছে ইদানিং। বর্তমানে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে যেকোনো স্থান থেকে শেয়ার কেনা-বেচা করা যাচ্ছে। ঘরে বসে কিংবা পছন্দমতো জায়গায় বসে শেয়ার কেনা-বেচার সুযোগ থাকায় অনেকেই শেয়ার বাজারে নিজেদের নাম লেখাচ্ছেন এবং লাভবান হচ্ছেন।

শেয়ার কেনা-বেচার ক্ষেত্রে একেকজন নিজের খেয়াল খুশি মতো শেয়ার কিনতে পারেন। এর কোনো নির্দিষ্টতা নেই। যে কেউ তার সামর্থ্য বা ইচ্ছা অনুযায়ী শেয়ার কিনতে পারে।

শেয়ার বাজারে টাকা জমা ও উত্তোলনের উপায়

শেয়ার বাজারে শেয়ার কেনা-বেচার জন্য পূর্বশর্ত হলো টাকা। টাকা জমা কিংবা উত্তোলন নিয়ে অনেকেই চিন্তায় থাকেন।

শেয়ার বাজারে শেয়ার কেনা হয় ব্রোকার হাউজের মাধ্যমে। ব্রোকার হাউজে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা কিংবা ব্যাংক চেক জমা দেওয়ার পর তারা সমপরিমাণ টাকা বিও একাউন্টে পাঠিয়ে দেয়। বিও একাউন্ট থেকে সুবিধামতো টাকা দিয়ে শেয়ার কেনা যায়।

শেয়ার বিক্রির পর টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রেও একই পন্থা অবলম্বন করতে হয়। নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বা লভ্যাংশ এসে বিও একাউন্টে জমা হলে ব্যাংক কিংবা মোবাইল ব্যাংকিং এর সহায়তায় টাকা উত্তোলন করা যায় কোনোরকম ঝামেলা ছাড়াই।

শেয়ার বাজারে সার্কিট ব্রেকার কী?

শেয়ার বাজারের সাথে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত একটি শব্দ হলো সার্কিট ব্রেকার। সার্কিট ব্রেকার মূলত শেয়ারের দাম বাড়া-কমার দিকে নজর রাখে। 

শেয়ার বাজারে একদিনে কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়া কিংবা কমে যাওয়া প্রতিহত করার কাজ করে সার্কিট ব্রেকার। সার্কিট ব্রেকারের নির্ধারিত দাম অনুযায়ী চলে শেয়ার বাজার। সার্কিট ব্রেকারের শর্তের বাইরে গিয়ে কোনো প্রতিষ্ঠান দাম বাড়াতে বা কমাতে পারবে না।

শেয়ারের ক্যাটাগরি

শেয়ার বাজার নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির উপর নির্ভরশীল। শেয়ার বাজার ক্যাটাগরির মাধ্যমেই নিয়ন্ত্রিত হয়। শেয়ার বাজারে পাঁচ ধরণের ক্যাটাগরি রয়েছে। সেগুলো হলো-

  • ক্যাটাগরি A: নিয়মিত সাধারণ সভার পাশাপাশি যে সকল কোম্পানি বার্ষিক ১০% কিংবা তার বেশি লভ্যাংশ প্রদান করে তারা ক্যাটাগরি A ভুক্ত। স্কয়ার ফার্মা, গ্রামীণ ফোনসহ বিভিন্ন মিউচুয়াল ফান্ড কোম্পানিসমূহ এই ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত।
  • ক্যাটাগরি B: নিয়মিত সাধারণ সভার পাশাপাশি যে সকল কোম্পানি বার্ষিক ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ প্রদান করে তারা B ক্যাটাগরি ভুক্ত। আজিজ পাইপ, ফু-ওয়াং ফুড এই ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত।
  • ক্যাটাগরি N: যে সকল কোম্পানি নতুন তালিকাভুক্ত হয় তারা শেয়ার বাজারে N ক্যাটাগরি ভুক্ত। N ক্যাটাগরিভুক্ত হওয়ার পরের অর্থ বছরে লভ্যাংশ প্রদানের মাত্রার উপর ভিত্তি করে অন্য ক্যাটাগরিতে যাওয়ার সুযোগ আছে।
  • ক্যাটাগরি G: উৎপাদনে প্রবেশ করার আগেই যে সকল কোম্পানি শেয়ার বাজারের লিস্টেড হয় তারা G ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত।
  • ক্যাটাগরি Z: যে সকল কোম্পানি নিয়মিত সাধারণ সভা করে না, বার্ষিক লভ্যাংশ প্রদান করে না অথবা টানা ৬ মাস কিংবা তার বেশি সময় ধরে উৎপাদনে নেই সে সকল কোম্পানি Z ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। শেয়ার বাজারে নতুন বিনিয়োগকারীদের এই ক্যাটাগরি এড়িয়ে চলা উচিৎ।

উক্ত ক্যাটাগরির মধ্যে ক্যাটাগরি G ব্যতিত বাকি অন্য ক্যাটাগরির প্রচলন বেশি। বাংলাদেশে G ক্যাটাগরির ব্যবহার নেই বললেই চলে। শেয়ারধারীদের একটা বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে, তা হলো সে যে ক্যাটাগরির শেয়ারধারী হোক না কেনো তার শেয়ার কতো দিনের মাথায় ম্যাচিউর হবে এটা জানতে হবে। 

শেয়ার বাজারে শেয়ারের দাম ওঠা-নামা

শেয়ার বাজারে একটা বিষয় নিয়মিত লক্ষ্য করা যায় তা হলো শেয়ারের দাম ওঠা-নামা করা। সাধারণত কোম্পানি ব্যবসা ভালো করবে, বিনিয়োগ বেশি করবে, বোনাস ভালো দেবে এমন ঘোষণা কিংবা সম্ভাবনা দেখা দিলে শেয়ারের দাম বেড়ে যায়। স্বাভাবিকভাবে বলা যায়, কোনো কোম্পানির উৎপাদন ক্ষমতা বাড়লে শেয়ারের দাম বাড়ে অন্যদিকে উৎপাদন ক্ষমতা কমলে শেয়ারের দাম কমে।

শেয়ার বাজারে বিনিয়োগে অনাগ্রহের কারণ

শেয়ার বাজার বিনিয়োগের মাধ্যমেই চলে কিন্তু দেখা যায় অনেকের শেয়ার বাজারে আগ্রহ আছে কিন্তু বিনিয়োগ করছে না কিংবা বিনিয়োগ করতে দ্বিধাবোধ করছে। এর কিছু উল্লেখযোগ্য কারণ আছে। কারণসমূহ নিম্নরূপ-

  • শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ না করার অন্যতম কারণ হলো শেয়ার বাজার সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকা।
  • শেয়ার বাজার নিয়ে মানুষের মুখে উল্টো-পাল্টা কথা শুনে অনেকে দ্বিধাগ্রস্ত হয়। যেমন শেয়ার বাজারকে কেউ কেউ জুয়া খেলার সামিল বলেন, যা শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ না করার একটি কারণ। 
  • শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করলে যেমন লাভ আছে তেমনি লসও আছে। এই লসের ভয়েই অনেকে বিনিয়োগ করতে চান না কিংবা কেউ বিনিয়োগ করতে চেয়েও আর করেন না।

মোটাদাগে শেয়ার বাজার সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকাতেই মানুষ শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে ভয় পায় কিংবা করে না। শেয়ার বাজারে নামার পূর্বে এই বাজার সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য জেনে নেয়া জরুরি।

শেষ কথা

শেয়ার বাজার কাউকে আলোর দিশা দেখাচ্ছে কাউকে ডুবিয়ে দিচ্ছে আঁধারে। বর্তমান সময়ে শেয়ার বাজার খুব জনপ্রিয় হলেও বিভিন্ন কারণে শেয়ার বাজারে অংশ নেয় না অনেকে আবার অংশ নিলেও দ্রুত ফিরে আসে। এসবের কারণ হলো পর্যাপ্ত জ্ঞানের অভাব। শেয়ার বাজার নিয়ে যথেষ্ট জেনে নিয়ে শেয়ার বাজারে নামলে কম সময়েই উন্নতি করা সম্ভব। আশা করি এই আর্টিকেল পড়ে আপনারা শেয়ার বাজার সম্পর্কে একটা সুন্দর ধারণা পাবেন। 

রিলেটেড আর্টিকেল গুলো

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button