শিক্ষা

কিভাবে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়া যায়?

ছাত্রজীবনের মূল উদ্দেশ্য জ্ঞান অর্জন করা। শুধু পড়াশোনা করলেই যে জ্ঞান অর্জন সম্ভব তা কিন্তু নয়। জ্ঞান অর্জনের জন্য সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হল পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়া। একসময় হয়তো বাবা-মা তাদের সন্তানদের বিভিন্ন ধরনের প্রবাদ বাক্য শুনিয়ে পড়াশোনায় মনোযোগী করে তোলার চেষ্টা করত। কিন্তু বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে পড়াশোনায় সঠিকভাবে মনোনিবেশ করা সকলের পক্ষে হয়ে ওঠে না। এসব সোশ্যাল মিডিয়ার জগতে হারিয়ে গিয়ে প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থী কিভাবে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়া যায় এ নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়ে। এর অন্যতম কারণ হল তাদের চিন্তা-ভাবনার বেশিরভাগটাই দখল করে নিয়েছে অন্য কোন কিছু, যার ফলে পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটে এবং ছাত্রজীবন এবং পেশাগত জীবনে নিয়ে আসতে পারে বিশাল বিপর্যয়।

তাই আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় কিভাবে ছাত্রজীবনে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়া যায়।

পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার ১০ টি কার্যকরী উপায়

১। উপযুক্ত পরিবেশ বাছাই করুন

পড়াশোনা হোক বা যেকোন কাজের ক্ষেত্রে হোক আশেপাশের পরিবেশ মনোযোগী হওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ভাবে কার্যকরী। সঠিক স্থান নির্বাচন না হলে আসলে কোন কাজেই মনোযোগী হওয়া যায় না। আর একজন ছাত্র বা ছাত্রীর পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার ক্ষেত্রে পড়াশোনার স্থান বা আশেপাশের পরিবেশ বিশেষ প্রভাব ফেলে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশোনার স্থান অগোছালো বা নোংরা। এক্ষেত্রে অবশ্যই অনুশীলনের স্থান পয়-পরিষ্কার এবং গোছানো রাখা জরুরী। নাহলে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনার পথে বাধা আসতে পারে।
অনেক ছাত্র-ছাত্রীদের দেখা যায় বিছানায় শুয়ে বা সোফায় বসে পড়াশোনা করতে। এক্ষেত্রে এসব জিনিস সম্পূর্ণরূপে ত্যাগ করতে হবে। পড়াশোনার সময় আরামদায়ক স্থানে বসলে, অলসতার কারণে নিদ্রাভাব চলে আসা স্বাভাবিক, এবং এসব অলসতার কারণে আপনার মনোযোগ ক্ষুণ্ণ হতে পারে। আর এজন্য
আপনাকে অন্তত পড়াশোনার সময় বিছানা বা সোফা বা যেকোন আরামদায়ক স্থান বেছে নেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। পড়াশোনার জন্য টেবিল-চেয়ারই সবচেয়ে উত্তম স্থান।

পড়াশোনায় মনোযোগ বসানোর জন্য ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কার্যক্রম
পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পড়াশোনার সময় নিদ্রা দুরকরনের পদ্ধতি

২। পরিকল্পনা তৈরি করুন এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন

সাফল্য অর্জনের মূল পন্থা হল পরিকল্পনা তৈরি এবং সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ। যেকোন কাজ শুরু করার আগে সঠিক পরিকল্পনা এবং লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমেই সফলতার দেখা পাওয়া যায়। ঠিক তেমনই পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার ক্ষেত্রেও আপনাকে সঠিক পরিকল্পনা তৈরি করে এবং লক্ষ্য নির্ধারণ করে পড়াশোনা শুরু করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি আপনার অধ্যয়নরত সময়কে ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি ভাগে বিভক্ত করে নিতে পারেন। ধরা যাক, আপনি ৩ ঘণ্টা পড়াশোনা করলেন একটি বিষয়ে, এরপরে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আবার অন্য একটি বিষয় শুরু করলেন এবং আবার ৩ ঘণ্টা ঐ বিষয়টি পড়লেন। এরপর আবার একটু বিশ্রাম নিয়ে আরেকটি বিষয়ে বাকি ৩ ঘণ্টা পড়াশোনা করলেন।
অথবা আপনি পরিকল্পনাটিকে আরও সহজভাবে সকাল-দুপুর-রাত এই তিনটি ভাগে বিভক্ত করে নিতে পারেন। তবে নিজের সুবিধা অনুযায়ী। জোর করে কোন কিছু করা উচিৎ নয়।

এই পদ্ধতি কে আমরা “POMODORO” বলে আখ্যায়িত করতে পারি। যা একটি স্প্যানিশ শব্দ। এই ফর্মুলা ব্যবহার করে আপনি আপনার সুবিধামতো সময়ে অল্প কিছুক্ষণ ব্রেক নিতে পারেন। যা আপনার পড়ারই অংশ, এবং এর মাধ্যমে আপনার মস্তিষ্ক পুনরায় শক্তি সঞ্চার করতে সক্ষম হয়।

৩। ভাল সময় নির্বাচন করুন

মনোযোগী হওয়ার জন্য দিনে ও রাতে পড়াশোনার ভাল সময় নির্বাচন
দিনে ও রাতে পড়াশোনার কিছু পার্থক্য

মানুষ সাধারণত রাতে ঘুমায় এবং দিনে কাজ করে, আর সারা রাত ঘুমানোর পরে সকালে ঘুম থেকে উঠার পরে একজন মানুষের এনার্জি বেশি থাকাটাই স্বাভাবিক। সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্রেকফাস্ট করে নিয়েই একদম ফ্রেস মাইন্ডে পড়াশোনা শুরু করতে পারেন। দিনে পড়াশোনা করার ক্ষেত্রে আরও সুবিধা পেতে পারেন, যেকোন ধরনের প্রয়োজনে যেমনঃ শিক্ষকের সাহায্য, লাইব্রেরী থেকে বই সংগ্রহ। এই ধরনের সুবিধা সাধারণত আপনি রাতে পাবেন না। এছাড়াও দিনের আলোতে পড়াশোনায় আপনার চোখের কোন রকম ক্ষতি হবে না।
আবার অন্যদিকে রাতে পড়াশোনারও কিছু সুবিধা রয়েছে, যেমনঃ রাতে চারিদিকে নিস্তব্ধ থাকায় আপনি কোন রকম কোলাহল ছাড়াই খুব মনোযোগ সহকারে পড়তে পারবেন। সৃষ্টিশীলতা এবং সৃজনশীলতার বহিঃপ্রকাশের উত্তম সময় হল রাতের বেলা। এজন্য আমেরিকার অনেক গবেষক রাতে পড়াশোনা করার পরামর্শ দেন।

তবে আপনি যেই সময়ই পড়াশোনা করুন না কেন আপনার সুবিধামতো নিয়মিত পড়াশোনা করতে হবে ঐ একই সময়ে। আর তাহলে আপনি মনোযোগী হতে পারবেন।

৪। প্রতিদিন আপনি কয়টি সেশন অধ্যয়ন শেষ করেন তা গণনা করুন

প্রতিদিন আপনি কতটুকু পড়াশোনা করলেন তার একটি হিসেব রাখুন। প্রতিদিনের এই হিসেব রাখার ফলে আপনার মধ্যে এক উদ্দেশ্যপ্রবণ বিষয় কাজ করবে। ধরুন আপনি প্রতিদিন ১ ঘণ্টা পড়াশোনা করেন, তো দিনের শুরুতে আপনি নির্ধারণ করলেন আজকে আপনি ১ ঘণ্টা করে ৩ বার পরবেন। এভাবে নির্দিষ্ট ভাবে গণনা করে এবং হিসেব রেখে পড়াশোনা করলে আপনি খুব সহজেই পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারবেন এবং ফলস্বরূপ এক সময় আপনি আরও অধিক সময় ধরে পড়াশোনা করতে পারবেন।
এছাড়াও আপনি সপ্তাহের কোন দিন, কোন সময়ে কী বিষয়ে পড়াশোনা করবেন তার একটি সুন্দর রুটিন করে নিতে পারেন। যার ফলে আপনার হিসেব রাখতে আরও সুবিধা হবে এবং পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হতে পারবেন। পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য প্রতিদিনের রুটিন

৫। নিয়মানুবর্তী হন

নিয়মানুবর্তীতা এমন একটি গুন যা প্রতিটি শিক্ষার্থীর মধ্যেই থাকা উচিৎ। একজন ছাত্র বা ছাত্রীর মধ্যে যদি নিয়মানুবর্তীতার মতো গুন বিদ্যমান থাকে তাহলে সে তার বিদ্যালয় এবং পারিবারিকভাবে সবার পছন্দের পাত্র হিসেবে মর্যাদা অর্জন করতে পারবে। এমনকি নিয়ম-কানুন মেনে চললে সাফল্য অর্জনে খুব বেশি বেগ পেতে হবে না। যখন একজন ছাত্র তার পরিবার এবং শিক্ষকদের মাঝে প্রিয় পাত্র হবে, ঠিক তখনই তার মধ্যে পড়াশোনার এক অন্যরকম মনোবল কাজ করবে। খুব সহজে সে মনোযোগ দিতে পারবে তার পড়াশোনায়। আর এ কারণে পড়াশোনায় মনোযোগী হতে নিয়মানুবর্তী হওয়া আবশ্যক। প্রতিদিনের ক্লাসের পড়া, ক্লাসেই শেষ করার চেষ্টা করুন। শিক্ষকের দেয়া প্রতিদিনের লেকচার খাতায় তুলে নিতে ভুলবেন না কখনো।

৬। পর্যাপ্ত অনুশীলন করুন

পর্যাপ্ত অনুশীলন যেকোন কঠিন কাজকে সহজ করে দিতে পারে। অসম্ভবকেও সম্ভব করে তোলা যায় অনুশীলনের মাধ্যমে। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন, মানসিক উদ্দীপনা, শব্দভাণ্ডার বৃদ্ধি, মানসিক প্রশান্তি, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিসহ আরও অনেক উপকার পাওয়া যায়। আর এ সকল প্রাপ্তি শিক্ষাজীবনের জড়তা কাটিয়ে পড়াশোনায় মনোযোগী হয়ে উঠতে অত্যন্ত সাহায্যকারী। প্রতিদিন পর্যাপ্ত অনুশীলন মানুষের ব্রেইনকে সচল রাখতেও সাহায্য করে থাকে।

একাডেমীক শিক্ষার পাশাপাশি ইউটিউব, গুগল, উইকিপিডিয়াসহ শিক্ষামূলক সাইট থেকে জ্ঞান অর্জনের চেষ্টা করুন।

৭। সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করুন

সঠিকভাবে চেষ্টা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে যেকোন সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। সেটি যেকোন ধরনের কঠিন কাজই হোক না কেন। কঠিন কাজ মনে করে যদি কোন কাজকে ফেলে রাখেন, তাহলে ধিরে ধিরে আপনার মধ্যে অলসতার সৃষ্টি হবে, অলসতা যদি একবার আপনাকে আঁকড়ে ধরে, তাহলে ধিরে ধিরে মনোযোগ হারিয়ে ফেলবেন। যা এক বিশাল বিপর্যয় এনে দিতে পারে ছাত্রজীবনে। পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য নিয়মিত অনুশীলন করুন, প্রতিদিন সমস্যাগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন, এবং নিজে অথবা শিক্ষকের সাহায্য নিয়ে তা সমাধান করুন। নিয়মিত সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে পড়াশোনা থেকে মনোযোগ বিচ্ছিন্ন হবে না। বরং ধিরে ধিরে আরও বেশি মনোযোগী হতে পারবেন।

৮। সঠিক সময়ে বিশ্রাম নিন

বিশ্রাম নেয়া পড়াশোনারই একটি অংশ। ছাত্রজীবনে কঠোর পরিশ্রম যেমন জরুরী ঠিক তেমনই বিশ্রাম নেয়াটাও ততোটাই জরুরী। প্রতিদিন পড়াশোনার ফাঁকে নির্দিষ্ট একটি সময়ে বিশ্রাম গ্রহণ করুন। আপনার পছন্দমতো একটি সময় নির্ধারণ করুন এবং সেই সময়ে হাল্কা কিছু খেয়ে নিতে পারেন বা কিছুটা হাঁটাহাঁটি, গান শোনা বা একটু নাটক দেখে নিতে পারেন। আর এটি মূলত নিজের ব্রেইনকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে থাকে। ইলিনয় ইউনিভার্সিটির এক গবেষণা থেকে জানা যায় যে একটি নির্ধারিত সময় পড়াশোনার পর বিরতি নেওয়ার ফলে বিক্ষিপ্ততা হ্রাস পায় এবং এই বিরতি সর্বাধিক অধ্যয়নকে সহায়তা করতে পারে। গবেষণায় মনোবিজ্ঞানী আলেজান্দ্রো ল্লেরাস বলেছেন,

“আমরা প্রস্তাব করি যে পরিমিত বিশ্রাম আপনার লক্ষ্য নিষ্ক্রিয় হয়ে গেলে তা পুনরায় সক্রিয় করে আপনাকে মনোনিবেশ করতে সাহায্য করে”

এছাড়াও তিনি আবিষ্কার করেছেন যে, তার ৫০ মিনিটের একটি গবেষণায় যাদের সংক্ষিপ্ত বিশ্রাম দেয়া হয়েছিল; তারা বেশি ভালো কাজ করেছে অন্য সবার চেয়ে। সুতরাং পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য সঠিক সময়ে বিশ্রাম গ্রহণ অত্যাবশ্যকীয়।

৯। পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করুন

পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য পুষ্টিকর খাদ্য

পুষ্টিকর খাদ্য যেমন রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে ঠিক তেমনই পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার ক্ষেত্রেও কার্যকরী। ছাত্রজীবনে বেশীরভাগ মানুষেরই বিভিন্ন ধরণের ফাস্টফুড এর প্রতি আকর্ষণ বেশী থাকে। টিনেজারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী এই ঝোঁক থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ থেকে বিভিন্ন রোগ দেখা দিতে পারে, যেমন- মাথা ব্যাথা, পেটের সমস্যা থেকে শুরু করে আরও নানা কিছু। আর এতে পড়াশোনায় মনোযোগের অভাব দেখা দিতে পারে। দেহে পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টির যোগান দিতে নিয়মিত ভিটামিনযুক্ত খাবার গ্রহণ করুন। ফাস্টফুড পুরোপুরি ত্যাগ করুন, এবং বাড়ির খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। যখন আপনার দেহে সঠিক ভিটামিনের অভাব পূরণ হবে তখনই আপনি শরীরে সতেজতা অনুভব করবেন এবং পড়াশোনায় মনোযোগী হতে পারবেন। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্য তালিকা তৈরি করুন।

১০। বাজে অভ্যাস থেকে দূরে থাকুন

কিভাবে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য বাজে অভ্যাস দূর করা

পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার সর্বশেষ উপায় হল বাজে অভ্যাস ত্যাগ করা। ছাত্রজীবনে প্রায় প্রত্যেকেরই কিছু না কিছু বাজে অভ্যাস থাকেই। যেগুলোর কারণে পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটে। আজকের এই ডিজিটাল যুগে এসে সবচেয়ে বড় বাজে অভ্যাস হল সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচুর পরিমাণ সময় নষ্ট করা। একজন ছাত্রের যেখানে প্রতিদিন প্রায় ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা পড়াশোনা করা উচিৎ সেখানে সে ছাত্রভ৩-৪ ঘণ্টাও ঠিকমতো পড়াশোনা করে উঠতে পারে না এই সোশ্যাল মিডিয়ার ফাঁদে পরে। ফেসবুক, ইউটিউব থেকে প্রচুর সাইট রয়েছে যেগুলোতে বিপুল পরিমাণে সময় ব্যয় করে আজকাল ছাত্র-ছাত্রীরা। যা মনোযোগে বিঘ্নিত হওয়ার অন্যতম কারণ। পড়াশোনা করার সময় সবধরণের মোবাইল, ল্যাপটপ, ট্যাব থেকে দূরে থাকতে চেষ্টা করুন। বিশেষ প্রয়োজনে বিশ্রামের সময়ে ব্যবহার করতে পারেন।

এছাড়াও অন্যান্য বাজে অভ্যাস যেমনঃ বন্ধু-বান্ধবের সাথে অতিরিক্ত সময় নষ্ট করা, অতিরিক্ত ঘুমানো এবং নেশাদ্রব্য নেয়া থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন।  নিয়মিত অনুশীলন করুন। প্রয়োজনে পরিবারের সাথে সময় কাটান।

শেষ কথা

পৃথিবীর যেই প্রান্তেই যান, পড়াশোনার বিকল্প কিছু নেই। সঠিক জ্ঞান যদি আপনার থাকে তাহলে যত বড় বিপর্যয়ই আসুক না কেন, জ্ঞানের মাধ্যমেই তা জয় করতে পারবেন। আর জ্ঞান অর্জনের মূল বিষয় হল অধ্যবসায়। সঠিকভাবে মনোযোগের সাথে পড়াশোনা করুন, আর যদি মনোযোগ না বসে তাহলে উপরিউক্ত বিষয়গুলো মেনে চলার চেষ্টা করুন। তাহলেই হয়তো পেলেও পেয়ে যেতে পারেন আপনার সাফল্যের চাবিকাঠি।

ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, নিজের শরীরের যত্ন নিন আর নিয়মিত পড়াশোনা করুন।

Sawon Saha

Hello everyone! It's Sawon Saha, a Digital Marketer from Bangladesh. I am passionate about Search Engine Optimization (SEO), Social Media Marketing (SMM) and other sectors of Digital Marketing.
Back to top button