Header Ad
টেকনোলজিমোবাইল ফোন

বাংলাদেশের ১০টি জনপ্রিয় মোবাইল ফোনের দাম (২০২০)

প্রতিনিয়তই বাজারে আসছে নতুন ও আকর্ষনীয় সব স্মার্টফোন। আইফোন থেকে স্যামসাং গ্যালাক্সি এ সিরিজ, হাতের কাছে নানাবিধ বিকল্প থাকার কারনে কোনটি আমাদের জন্য সেরা সেটা যেন বের করাই দুস্কর। তাই বলে চিন্তার কারন নেই, আজ আমরা বাংলাদেশী বাজারের শীর্ষ ১০ মোবাইল ফোন নিয়ে আলোচনা করব যা আপনাকে পছন্দসই স্মার্টফোন খুঁজে পেতে সাহায্য করবে!

*আর্টিকেলটিতে দেয়া মূল্য বিক্রেতাভেদে তারতম্য হতে পারে।

স্যামসাং (Samsung)

আসুন শহরের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্র্যান্ডটি দিয়েই শুরু করা যাক। ব্যবহারকারীদের পছন্দের তালিকায় অন্যতম সেরা স্থান দখল করে আছে এই স্যামসাং ব্র্যান্ডের ফোনগুলি। মানুষের জীবনকে সহজ করার নিমিত্তে প্রায় সবকিছুই তৈরি করতে দেখা যাচ্ছে স্যামসাংকে। টিভি থেকে রেফ্রিজারেটর কি নেই তাদের পণ্যের তালিকায়। এরমধ্যে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের ব্র্যান্ডের দিগন্ত হয়েছে আরো প্রসারিত। স্যামসাং মোবাইল ফোনগুলো তাদের গুনগত মান, স্ক্রিন রেজলিউশন এবং তাদের ক্যামেরাগুলির জন্য  সবসময়ই জনপ্রিয় ছিল। আজও তারা তাদের এই সুখ্যাতি ধরে রেখেছে। স্যামসাং এর সর্বশেষ ফোনে যে ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে তা অতি উন্নতমানের এবং যে ক্যামেরা রয়েছে তা প্রায় পেশাদার স্তরের। স্যামসাং ব্র্যান্ডের মডেলগুলো থেকে, আজ আমরা ‘ স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ১০’ এবং ‘স্যামসাং গ্যালাক্সি এ ৫০’ নিয়ে আলোচনা করব।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ১০ (Samsung Galaxy s10)

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ১০

এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে মুক্তি পেয়েছে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ১০। এটিতে রয়েছে পাঞ্চ হোল ডিসপ্লে যেটি এই ফোনকে করেছে ক্রেতাদের কাছে জনপ্রিয়। শুধু এটিই নয়, এই ফোনে রয়েছে আরও বেশকিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

বিস্তারিত

বডি ডাইমেনশনস১৪৯.৯ x ৭০.৪ x ৭.৮ মিমি (৫.৯০ x ২.৭৭ x ০.৩১  ইঞ্চি)
ওজন১৫৭ গ্রাম  (৫.৫৪ আউন্স)
ডিসপ্লের আকার৬.১২ ইঞ্চি, ৯৩.২ বর্গ সেন্টিমিটার (~৮৮.৩% স্ক্রিন টু বডি রেশিও)
ডিসপ্লের রেজ্যুলেশন১৪৪০ x ৩০৪০  পিক্সেল, ১৯:৯ রেশিও
ডিসপ্লে মাল্টিটাচআছে
অপারেটিং সিস্টেমঅ্যান্ড্রয়েড
ওএস ভার্সন৯.০ (পাই)
সিপিইউঅক্টা-কোর ( ২ x ২.৭ গিগাহার্টজ মঙ্গুজ এম৪ এবং ২ x ২.৩ গিগাহার্টজ কর্টেক্স-এ ৭৫ এবং ৪ x ১.৯ গিগাহার্টজ কর্টেক্স-এ ৫৫)

অক্টা-কোর (১ x ২.৮ গিগাহার্টজ ক্রিয়ো ৪৮৫, ৩ x ২.৪ গিগাহার্টজ ক্রিয়ো ৪৮৫ এবং ৪ x ১.৭ গিগাহার্টজ ক্রিয়ো ৪৮৫)

জিপিইউমালি-জি ৭৮  এমপি ১২

এডরেনো ৬৫০

চিপসেটএক্সিনস ৯৮২০ অক্টা

কোয়ালকম এসডিএম ৮৫৫ স্ন্যাপড্রাগন ৮৫৫

ইন্টারনাল মেমোরি১২৮ জিবি, ৫১২ জিবি
এক্সটার্নাল মেমোরিমাইক্রোএসডি, ৫১২ জিবি অবধি (সিম ২ স্লট) – কেবলমাত্র ডুয়েল সিম মডেল
র‍্যাম৮ জিবি
প্রাথমিক ক্যামেরাট্রিপল: ১২ এমপি
১২ এমপি
১৬ এমপি, এফ / ২.২, ১২ মিমি (আল্ট্রাওয়াইড)
সেকেন্ডারি ক্যামেরা১০ এমপি, এফ/১.৯, ২৬ মিমি (প্রশস্ত), ডুয়েল পিক্সেল পিডিএএফ
ব্যাটারির ধরননন রিমুভেবল লি-আয়ন ব্যাটারি
ব্যাটারি৩৪০০  মিলি অ্যাম্পেয়ার
মূল্য৮৯,৯৯০ টাকা

উল্লেখিত ফোনটির দাম কিছুটা বেশি মনে হলেও এর অনন্য বৈশিষ্ট্যগুলোর তুলনায় দামটি বেশ সঙ্গতিপূর্ণ।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এ ৫০ (Samsung Galaxy A50)

স্যামসাং গ্যালাক্সি এ ৫০

এবার স্যামসাং ব্র্যান্ডের একটি সুলভ মূল্যের মোবাইল নিয়ে আলোচনা করা যাক। স্যামসাং গ্যালাক্সি এ ৫০ ফোনটি স্বল্পমূল্যের মধ্যে দারুণ একটি ফোন। দামের তুলনায় এতে যে ফিচারগুলো রয়েছে তা অবশ্যই এই ফোনকে করেছে ক্রেতাপ্রিয়। আর এটি বেশিরভাগ ব্যবহারকারীদের জন্য একটি বাজেটবান্ধব ফোন ।

চলুন ফোনটির স্পেসিফিকেশনগুলো দেখে আসা যাকঃ

বিস্তারিত

বডি ডাইমেনশনস১৫৮.৫ x ৭৪.৭ x ৭.৭ মিমি (৬.২৪ x ২.৯৪ x ০.৩০ ইঞ্চি)
ওজন১৬৬ গ্রাম
ডিসপ্লের আকার৬.৪ ইঞ্চি, ১০০.৫ বর্গ সেন্টিমিটার  (~৮৪.৯% স্ক্রিন টু বডি রেশিও)
ডিসপ্লের রেজ্যুলেশন১০৮০ x ২৩৪০ পিক্সেল, ১৯.৫:৯ রেশিও
ডিসপ্লে মাল্টিটাচআছে
অপারেটিং সিস্টেমঅ্যান্ড্রয়েড
ওএস ভার্সন৯.০ (পাই)
সিপিইউঅক্টা-কোর (৪ x ২.৩ গিগাহার্টজ কর্টেক্স-এ ৭৩ এবং ৪ x ১.৭ গিগাহার্টজ কর্টেক্স-এ ৫৩)
জিপিইউমালি-জি ৭২ এমপি ৩
চিপসেটএক্সিনস ৯৬১০ অক্টা
ইন্টারনাল মেমোরি৬৪ জিবি, ১২৮ জিবি
এক্সটার্নাল মেমোরিমাইক্রোএসডি, ৫১২ গিগাবাইট পর্যন্ত (ডেডিকেটেড স্লট)
র‍্যাম৪ জিবি, ৬  জিবি
প্রাথমিক ক্যামেরাট্রিপল: ২৪এমপি
৮ এমপি
৫ এমপি
সেকেন্ডারি ক্যামেরা২৫ এমপি
ব্যাটারির ধরননন রিমুভ এবল  লি-পো ব্যাটারি
ব্যাটারি৪০০০ মিলি অ্যাম্পেয়ার ব্যাটারি
মূল্য২৪,৯৯০ টাকা

এই ফোনটি ৬৪ জিবি এবং ১২৮ জিবি-তে পাওয়া য়ায়। মেমোরির তারতম্যের জন্য তাই ফোনটির রয়েছে আলাদা আলাদা দাম। এই ফোনের ফ্রন্ট ক্যামেরাটি এ সময়ের সেলফি প্রেমীদের জন্য একেবারে আদর্শ! ব্যাটারিও বেশ দীর্ঘস্থায়ী। তাই আপনি যদি মিড রেঞ্জ ফোন খুঁজে থাকেন তবে এটি হবে আপনার জন্য সামগ্রিকভাবে দারুণ একটি ফোন।

আইফোন ১১ (iPhone 11)

আইফোন ১১

আমরা এবারে আইফোনের সর্বশেষ গ্যাজেটটি নিয়ে কথা বলব যা ইতিমধ্যেই টেক বাজারে ঝড় তৈরি করেছে। বুঝতেই পারছেন, এটি আইফোন ১১! এই বছরের সেপ্টেম্বরে বাজারে এসে ইতিমধ্যেই মানুষের পছন্দর তালিকার উপরের স্থানটি দখল করে আছে ফোনটি। অ্যাপলের ভক্ত ছাড়াও প্রচুর লোক নিরপেক্ষভাবে এই ফোনটির প্রশংসা করেছে। ফোনেটিতে কি কি ফিচার আছে সে সম্পর্কে কিছুটা আলোকপাত করা যাক।

ফোনটির স্পেসিফিকেশনগুলো হলোঃ

বিস্তারিত

বডি ডাইমেনশনস১৫০.৯ x ৭৫.৭ x ৮.৩ মিমি (৫.৯৪ x ২.৯৮ x 0.৩৩ ইঞ্চি)
ওজন১৯৪ গ্রাম
ডিসপ্লের ধরণলিকুইড রেটিনা আইপিএস এলসিডি ক্যাপাসিটিভ টাচস্ক্রিন, ১৬ এম কালারস
ডিসপ্লের আকার৬.১ ইঞ্চি, ৯০.৩ বর্গ সেন্টিমিটার (~৭৯.০% স্ক্রিন টু বডি রেশিও)
ডিসপ্লের রেজ্যুলেশন৮২৮ x ১৭৯২ পিক্সেল, ১৯.৫:৯ অনুপাত
ডিসপ্লের মাল্টিটাচআছে
অপারেটিং সিস্টেমআইওএস
ওএস ভার্সনআইওএস ১৩, আইওএস ১৩.১.২ তে আপগ্রেডযোগ্য
সিপিইউহেক্সা-কোর (২ x ২.৬৫ গিগাহার্জ লাইটিং + ৪ x ১.৮ গিগাহার্টজ থান্ডার)
জিপিইউঅ্যাপল জিপিইউ (৪-কোর গ্রাফিক্স)
চিপসেটঅ্যাপল এ ১৩ বায়োনিক
ইন্টারনাল মেমোরি৬৪ জিবি, ১২৮ জিবি, ২৫৬ জিবি
এক্সটার্নাল মেমোরিনেই
র‍্যাম৪ জিবি
প্রাথমিক ক্যামেরাডুয়েল : ১২ এমপি
১২ এমপি, (আলট্রা ওয়াইড)
সেকেন্ডারি ক্যামেরাডুয়েল : ১২ এমপি
টিওএফ থ্রিডি ক্যামেরা
ব্যাটারির ধরননন রিমুভ এবল  লি-আয়ন ব্যাটারি
ব্যাটারি৩১১০ মিলি অ্যাম্পেয়ার  (১১.৯১ ডব্লিউ এইচ)
মূল্য৮০,০০০ টাকা

উপরের স্পেসিফিকেশনগুলি আইফোন ১১ এর, তবে আইফোন ১১ প্রো সংস্করণটি কিছুটা ব্যতিক্রম এবং দামও কিছুটা বেশি। উল্লেখিত দুটি ফোনই ব্যবহারকারীকে দেবে দুর্দান্ত এক অভিজ্ঞতা।

শাওমি (Xiaomi)

আজ থেকে কয়েক বছর আগেও আমরা যে মোবাইল ফোন ব্র্যান্ডের নামটি ঠিকভাবে উচ্চারণ করতে পারতাম না, আজ সেই ফোনের সিগনেচার রিংটোনটি শোনা যায় আশেপাশে সর্বত্র। চাইনিজ প্রতিষ্ঠান শাওমি বাংলাদেশী টেকনোলজি মার্কেটে ইতিমধ্যেই অন্যতম প্রধান ফোন ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। এছাড়া ব্র্যান্ডটির রয়েছে উচ্চ মানের হেডফোন যা ক্রেতাদের কাছে একে আরো আকর্ষণীয় করে তুলেছে। তাই শাওমি হয়ে উঠেছে তরুন প্রজন্মের নতুন পছন্দ!

 শাওমি এমআই ৯ প্রো (Xiaomi MI 9 Pro)

 

 শাওমি এমআই ৯ প্রো

এটি শাওমি এমআই সিরিজের সাম্প্রতিকতম সংযোজন। ফোনটি এই বছরের সেপ্টেম্বরে প্রকাশ হয়েছিল এবং এরমধ্যেই সকলের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। শাওমির এমআই সিরিজগুলো তাদের প্রিমিয়াম মানের জন্য ব্যবহারকারীদের কাছে বহুল পরিচিত। এই সিরিজ কিছু ফোনে আছে অ্যান্ড্রয়েড ওয়ান যা অ্যান্ড্রয়েডের স্টক সংস্করণ।

শাওমি এমআই ৯ প্রোর ফিচারগুলো হলোঃ

বিস্তারিত

বডি ডাইমেনশনস১৫৭.২ x ৭৪.৬ x ৮.৫ মিমি (৬.১৯ x ২.৯৪ x ০.৩৩ ইঞ্চি)
ওজন১৯৬ গ্রাম
ডিসপ্লের ধরণসুপার অ্যামোলেড ক্যাপাসিটিভ টাচস্ক্রিন, ১৬ এম কালারস
ডিসপ্লের আকার৬.৩৯ ইঞ্চি, ১০০.২ বর্গ সেন্টিমিটার  (~৮৫.৫% স্ক্রিন টু বডি রেশিও)
ডিসপ্লের রেজ্যুলেশন১০৮০ x ২৩৪০ পিক্সেল, ১৯.৫:৯ রেশিও
ডিসপ্লের মাল্টিটাচআছে
অপারেটিং সিস্টেমঅ্যান্ড্রয়েড
ওএস ভার্সন১০.০ (দশ)
সিপিইউঅক্টা-কোর (১ x ২.৯৬ গিগাহার্টজ ক্রিয়ো ৪৮৫, ৩ x ২.৪২ গিগাহার্টজ ক্রিয়ো ৪৮৫ এবং  ৪ x ১.৮ গিগাহার্টজ ক্রিয়ো ৪৮৫)
জিপিইউএডরেনো ৬৪০ (৭০০ মেগাহার্টজ)
চিপসেটকোয়ালকম এসডিএম ৮৫৫ স্ন্যাপড্রাগন ৮৫৫+
ইন্টারনাল মেমোরি১২৮ জিবি, ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি
এক্সটার্নাল মেমোরিনেই
র‍্যাম৮ জিবি, ১২ জিবি
প্রাথমিক ক্যামেরাট্রিপল: ৪৮ এমপি
১২ এমপি, (টেলিফোটো), ২এক্স অপটিক্যাল জুম
১৬ এমপি, (আলট্রা ওয়াইড)
সেকেন্ডারি ক্যামেরা২০ এমপি
ব্যাটারির ধরননন রিমুভেবল লি-পো ব্যাটারি
ব্যাটারি৪০০০ মিলি অ্যাম্পেয়ার
মূল্য৪৫,০০০ টাকা

এখানে আমরা স্পষ্টতই দেখতে পাচ্ছি ফোনটির রয়েছে অসাধারণ ক্যামেরা এবং এর ব্যাটারির কার্যক্ষমতাও বেশি। তাই এই ফোনটি অবশ্যই ব্যবহারকারীদের দৃষ্টিকোণ থেকে একটি শো স্টপার। হালকা ওজনের এ ডিভাইসটি ব্যবহারকারীকে এক মার্জিত অনুভূতি দেয়।

শাওমি রেডমি নোট ৭ (Xiaomi Redmi Note 7)

 

শাওমি রেডমি নোট ৭

শাওমি রেডমি নোট ৭ বাজারে আসার পর থেকে ইতিমধ্যেই অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছে। প্রায় যেখানেই আপনি যান না কেন, এই ডিভাইসটি ব্যবহার করছেন এমন একজনের দেখা আপনার মিলবেই। যারা বাজেট ফোন খুঁজছেন তাদের জন্য রেডমি সিরিজের এই ফোনটির কোন বিকল্প নেই।

শাওমি রেডমি নোট ৭ এর ফিচারগুলো হলোঃ

বিস্তারিত

বডি ডাইমেনশনস১৫৯.২ x ৭৫.২ x ৮.১ মিমি (৬.২৭ x ২.৯৬ x ০.৩২ ইঞ্চি)
ওজন১৮৬ গ্রাম (৬.৫৬ আউন্স)
ডিসপ্লের ধরণআইপিএস এলসিডি ক্যাপাসিটিভ টাচস্ক্রিন, ১৬ এম কালারস
ডিসপ্লের আকার৬.৩ ইঞ্চি, ৯৭.৪ বর্গ সেন্টিমিটার  (~৮১.৪% স্ক্রিন টু বডি রেশিও)
ডিসপ্লের রেজ্যুলেশন১০৮০ x ২৩৪০ পিক্সেল, ১৯.৫:৯ রেশিও
ডিসপ্লের মাল্টিটাচকর্নিং গরিলা গ্লাস ৫
অপারেটিং সিস্টেমআন্ড্রয়েড
ওএস ভার্সন৯.০ (পাই)
সিপিইউঅক্টা-কোর (৪ x ২.২ গিগাহার্টজ ক্রিয়ো ২৬০ এবং  ৪ x ১.৮ গিগাহার্টজ ক্রিয়ো ২৬০)
জিপিইউএডরেনো ৫১২
চিপসেটকোয়ালকম এসডিএম ৬৬০ স্ন্যাপড্রাগন ৬৬০
ইন্টারনাল মেমোরি৩২ জিবি, ৬৪ জিবি
এক্সটার্নাল মেমোরিমাইক্রোএসডি, ২৫৬ জিবি অবধি (সিম ২ স্লট)
র‍্যাম৩ জিবি, ৪ জিবি, ৬ জিবি
প্রাথমিক ক্যামেরাডুয়েলঃ ৪৮ এমপি, এফ/১.৮, ১/২
৫ এমপি, এফ/২.৪ ডেপথ সেন্সর
সেকেন্ডারি ক্যামেরা১৩ এমপি
ব্যাটারির ধরননন রিমুভেবল লি-পো ব্যাটারি
ব্যাটারি৪০০০ মিলি অ্যাম্পেয়ার
মূল্য১৭,৯৯৯ টাকা

এই ফোনটি তিনটি প্রকারভেদে বাজারে এসেছে, এছাড়াও রয়েছে এর একটি প্রো সংস্করণ। স্বল্পমূল্যের ফোন হিসেবে সেরা ক্যামেরার নিশ্চয়তা দিচ্ছে এ ফোনটি।

ওয়ানপ্লাস (One Plus)

মোবাইল বাজারে আরও একটি সুপরিচিত ব্র্যান্ড ওয়ানপ্লাস। তারা তাদের প্রিমিয়াম ফোনগুলির জন্য ক্রেতামহলে জনপ্রিয়। ফোনগুলোর দাম প্রিমিয়াম এবং এগুলোর পারফরম্যান্স দূর্দান্ত। তুলনামূলক নতুন ব্র্যান্ড হলেও জনপ্রিয়তার বিচারে অন্যান্য ব্র্যান্ডের তুলনায় মোটেও পিছিয়ে নেই এটি। আপনি যদি দীর্ঘ সময় ব্যবহারের জন্য একটি ফোন কিনতে মনস্থির করেন, তবে ওয়ানপ্লাস মোবাইল আপনার জন্য উপযুক্ত একটি ফোন।

ওয়ানপ্লাস ৭ প্রো (One Plus 7 Pro)

ওয়ানপ্লাস ৭ প্রো

ওয়ানপ্লাস ৭ -এর পাশাপাশি এর প্রো সংস্করণটিও এই বছরের মে মাসে বাজারে এসেছে। ফোনটি পপ-আপ ক্যামেরা এবং নচ-বিহীন ডিসপ্লের জন্য বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে ফোনটি। এছাড়া স্যামসাং এস ১০ এর মত এই ফোনটির ডিসপ্লের মানও বেশ ভাল।

চলুন দেখে আসি ফোনটির স্পেসিফিকেশনগুলোঃ

বিস্তারিত

বডি ডাইমেনশনস১৬২.৬ x ৭৫.৯ x ৮.৮ মিমি (৬.৪০ x ২.৯৯ x ০.৩৫ ইঞ্চি)
ওজন২০৬ গ্রাম
ডিসপ্লের ধরণফ্লুইড অ্যামোলয়েড ক্যাপাসিটিভ টাচস্ক্রিন, ১৬ এম কালারস
ডিসপ্লের আকার৬.৬৭ ইঞ্চি, ১০৮.৮ বর্গ সেন্টিমিটার  (~৮৮.১% স্ক্রিন টু বডি রেশিও)
ডিসপ্লের রেজ্যুলেশন১৪৪০ x ৩১২০ পিক্সেল, ১৯.৫:৯ রেশিও
ডিসপ্লের মাল্টিটাচআছে
অপারেটিং সিস্টেমঅ্যান্ড্রয়েড
ওএস ভার্সন৯.০ (পাই)
সিপিইউঅক্টা-কোর (১ x ২.৮৪ গিগাহার্টজ ক্রিয়ো ৪৮৫, এবং ৩ x ২.৪২ গিগাহার্টজ ক্রিয়ো ৪৮৫, এবং ৪ x ১.৮০ গিগাহার্টজ ক্রিয়ো ৪৮৫)
জিপিইউএডরেনো ৬৪০
চিপসেটকোয়ালকম এসডিএম ৮৫৫ স্ন্যাপড্রাগন ৮৫৫
ইন্টারনাল মেমোরি১২৮ জিবি, ২৫৬ জিবি
এক্সটার্নাল মেমোরিনেই
র‍্যাম৬ জিবি, ৮ জিবি, ১২ জিবি
প্রাথমিক ক্যামেরাট্রিপল: ৪৮ এমপি
১৬ এমপি
৮ এমপি
সেকেন্ডারি ক্যামেরামটোরাইজড পপ-আপ ১৬ এমপি
ব্যাটারির ধরননন রিমুভেবল লি-পো ব্যাটারি
ব্যাটারি৪০০০ মিলি অ্যাম্পেয়ার
মূল্য৬৮,৯৯০ টাকা

আপনি যদি নতুন কোন ব্র্যান্ডের ফোনের অভিজ্ঞতা নিতে চান তবে নিঃসন্দেহে এই ফোনটি আপনি কিনতে পারেন। ফোনটির ডিজাইন এবং এর পপ-আপ ক্যামেরাটি ফোনটিকে করে তুলেছে আকর্ষণীয়। এছাড়া এর ইন্টারনাল মেমোরী বেশ ভাল, ফলে আপনি যথেষ্ট পরিমানে ডাটা স্টোরেজ করতে পারবেন।

গুগল (Google)

নিশ্চই গুগলকে এই তালিকায় দেখে আপনাদের অনেকের কাছেই অবাক লাগছে! জ্বি হ্যা, গুগলেরও রয়েছে নিজস্ব স্মার্টফোন যা আগে নেক্সাস নামে পরিচিত ছিল, আর এখন পরিচিত পিক্সেল নামে। তারা এখন তাদের নিজস্ব ফোন তৈরি করে যা স্টক অ্যান্ড্রয়েডে চলে।

গুগল পিক্সেল ৩ (Google Pixel 3)

গুগল পিক্সেল ৩

 

যদিও এটি বাজারে আসার বেশ কিছুদিন হয়েছে তবুও এটি এখনও ক্রেতাদের কাছে এর আকর্ষন ধরে রেখেছে। এবছর বাজারে আসা পিক্সেল ৪ এর তুলনায়, পিক্সেল ৩ তার ভাল পারফরম্যান্সের জন্য এখনও বেশ জনপ্রিয়।

গুগল পিক্সেল ৩ এর বিস্তারিত দেখে নেয়া যাকঃ

বিস্তারিত

বডি ডাইমেনশনস১৪৫.৬ x ৬৮.২ x ৭.৯ মিমি (৫.৭৩ x ২.৬৯ x ০.৩১ ইঞ্চি)
ওজন১৪৮ গ্রাম (৫.২২ আউন্স)
ডিসপ্লের ধরণপি-ওলেড ক্যাপাসিটিভ টাচস্ক্রিন, ১৬ এম কালারস
ডিসপ্লের আকার৫.৫ ইঞ্চি, ৭৬.৭ বর্গ সেন্টিমিটার (~৭৭.২% স্ক্রিন টু বডি রেশিও)
ডিসপ্লের রেজ্যুলেশন১০৮০ x ২১৬০ পিক্সেল, ১৮:৯ রেশিও
ডিসপ্লের মাল্টিটাচআছে
অপারেটিং সিস্টেমঅ্যান্ড্রয়েড
ওএস ভার্সন৯.০ (পি)
সিপিইউঅক্টা-কোর (৪ x ২.৫ গিগাহার্টজ ক্রিয়ো ৩৮৫ গোল্ড এবং ৪ x ১.৬ গিগাহার্টজ ক্রিয়ো ৩৮৫ সিলভার)
জিপিইউএডরেনো ৬৩০
চিপসেটকোয়ালকম এসডিএম ৮৪৫ স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ (১০ এনএম)
ইন্টারনাল মেমোরি৬৪ জিবি, ১২৮ জিবি
এক্সটার্নাল মেমোরিনেই
র‍্যাম৪ জিবি র‍্যাম
প্রাথমিক ক্যামেরা১২.২ এমপি,এফ/১.৮, ২৮এমএম (ওয়াইড), ১/২.৫৫”, ১.৪ মাইক্রোমিটার, ওআইএস, ডুয়েল পিক্সেল পিডিএএফ
সেকেন্ডারি ক্যামেরাডুয়েল: ৮ এমপি, এফ/১.৮, ২৮ এমএম (ওয়াইড), পিডিএএফ

৮ এমপি, এফ/২.২, ১৯ এমএম (ওয়াইড), পিডিএএফ নেই

ব্যাটারির ধরননন রিমুভেবল লি-আয়ন ব্যাটারি
ব্যাটারি২৯১৫ মিলি অ্যাম্পেয়ার
মূল্য৮২,৯৯০ টাকা

ব্যাটারির দীর্ঘস্থায়িত্ব আর উচ্চ মূল্য এই ফোনের বিশাল নেতিবাচক দিক। বাজারে অবশ্যই এর চেয়ে স্বল্পমূল্যের ভালো ফোন রয়েছে তবে আপনি যদি খাঁটি অ্যান্ড্রয়েড অভিজ্ঞতা চান তবে আপনি এই ফোনটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

হুয়াওয়ে

হুয়াওয়ে ব্র্যান্ড থেকে আমরা আজ ২টি মোবাইল ফোন বেছে নিলাপ। যদিও এই ব্র্যান্ডটি মার্কিন ভিত্তিক সংস্থাগুলির কাছ থেকে কিছুটা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, তবে এটির উচ্চ পারফরম্যান্সের জন্য এটি মানুষের পছন্দর তালিকায় আছে। তারা এখন তাদের নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে এবং আশা করা যায় এটি নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য ভাল একটা অভিজ্ঞতা হবে।

হুয়াওয়ে মেট ২০ (Huawei Mate 20)

হুয়াওয়ে মেট ২০

এই ফোনে অনেকগুলি লুক এবং সংস্করণ রয়েছে। বিভিন্ন সংস্করণের দামও পুরোপুরি আলাদা।এক্ষেত্রে সুবিধা হল যে সংস্করণটি আপনার বাজটের মধ্যে হবে আপনি সেটিই কিনতে পারেন।

চলুন দেখে নেয়া যাক কি রয়েছে ফোনটিতেঃ

বিস্তারিত

বডি ডাইমেনশনস
১৫৮.২ x ৭৭.২ x ৮.৩ মিমি (৬.২৩ x ৩.০৪ x ০.৩৩ ইঞ্চি)
ওজন১৮৮ গ্রাম (৬.৬৩ আউন্স)
ডিসপ্লের ধরণআইপিএস এলসিডি ক্যাপাসিটিভ টাচস্ক্রিন, ১৬ এম কালারস
ডিসপ্লের আকার৬.৫৩ ইঞ্চি, ১০৭.৫ বর্গ সেন্টিমিটার (~৮৮.০% স্ক্রিন টু বডি রেশিও)
ডিসপ্লের রেজ্যুলেশন১০৮০ x ২২৪৪ পিক্সেল, ১৮.৭:৯ রেশিও
ডিসপ্লের মাল্টিটাচআছে
অপারেটিং সিস্টেমঅ্যান্ড্রয়েড
ওএস ভার্সন৯.০ (পাই)
সিপিইউঅক্টা-কোর (২ x ২.৬ গিগাহার্টজ কর্টেক্স এ-৭৬, ২ x ১.৯২ গিগাহার্টজ কর্টেক্স এ-৭৬, এবং ৪ x ১.৮ গিগাহার্টজ কর্টেক্স এ-৫৫)
জিপিইউমালি-জি ৭৬ এমপি ১০
চিপসেটহাইসিলিকন কিরিন ৯৮০ (৭ এনএম)
ইন্টারনাল মেমোরি১২৮ জিবি
এক্সটার্নাল মেমোরিএনএম (ন্যানো মেমরি), ২৫৬ জিবি অবধি (সিম ২ স্লট)
র‍্যাম
৪ জিবি, ৬ জিবি
প্রাথমিক ক্যামেরাট্রিপল

১২ এমপি, এফ/১.৮, ২৭ এমএম (ওয়াইড), ১/২.৩”

১৬ এমপি, এফ/২.২, ১৭ এমএম (আল্ট্রাওয়াইড)

৮ এমপি, এফ/২.৪, ৫২এমএম (টেলিফটো)

সেকেন্ডারি ক্যামেরা২৪ এমপি, এফ/২.০, ২৬ মিমি (ওয়াইড)
ব্যাটারির ধরননন রিমুভেবল লি-পো ব্যাটারি
ব্যাটারি৪০০০ মিলি অ্যাম্পেয়ার
মূল্য৭৬,৯৯০ টাকা

হুয়াওয়ে মেট ২০-তে ব্যবহারকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় সব ফিচারই আছে, সে বিচারে এর দামকে আবার খুব বেশি বলা উচিত হবেনা। এটির রয়েছে বেশ ভাল অভ্যন্তরীণ মেমোরি এবং উচ্চ ব্যাটারি সক্ষমতা।

হুয়াওয়ে ওয়াই ৯ (Huawei Y9)

হুয়াওয়ে ওয়াই ৯

হুয়াওয়ে ওয়াই ৯ গত বছরে বাজারে এসেছিল তবে ২০১৯-এ এসেছে এর একটি হালনাগাদ সংস্করণ। হুয়াওয়ে ব্র্যান্ডের মধ্যে এ মডেলটি একটি সুলভ মূল্যের ফোন এবং সেলফি প্রেমীদের জন্য আদর্শ।

চলুন এর ফিচারগুলো জেনে আসিঃ

বিস্তারিত

বডি ডাইমেনশনস১৬২.৪ x ৭৭.১ x ৮.১ মিমি (৬.৩৯ x ৩.০৪ x ০.৩২ ইঞ্চি)
ওজন১৭৩ গ্রাম
ডিসপ্লের ধরণআইপিএস এলসিডি ক্যাপাসিটিভ টাচস্ক্রিন, ১৬ এম কালারস
ডিসপ্লের আকার৬.৫ ইঞ্চি, ১০৩.৭ বর্গ সেন্টিমিটার  (~৮২.৮% স্ক্রিন টু বডি রেশিও)
ডিসপ্লের রেজ্যুলেশন১০৮০ x ২৩৪০ পিক্সেল, ১৯.৫:৯ রেশিও
ডিসপ্লের মাল্টিটাচআছে
অপারেটিং সিস্টেমঅ্যান্ড্রয়েড
ওএস ভার্সন৮.১ (ওরিও)
সিপিইউঅক্টা-কোর (৪ x ২.২ গিগাহার্টজ কর্টেক্স-এ৭৩ এবং ৪ x ১.৭ গিগাহার্টজ কর্টেক্স এ৫৩)
জিপিইউমালি-জি ৫১ এমপি৪
চিপসেটহাইসিলিকন কিরিন ৭১০
ইন্টারনাল মেমোরি৬৪ জিবি, ১২৮ জিবি
এক্সটার্নাল মেমোরিমাইক্রো এসডি, ৪০০ জিবি পর্যন্ত বর্ধিত করা যাবে
র‍্যাম৩ জিবি, ৪ জিবি, ৬ জিবি
ব্যাটারির ধরননন রিমুভেবল লি-আয়ন ব্যাটারি
ব্যাটারি৪০০০ মিলি অ্যাম্পেয়ার
মূল্য২১,৪৯০ টাকা

নোকিয়া (Nokia)

এমন একটা সময় ছিলো যখন ভালো মানের ফোন বলতেই নোকিয়াকে বোঝাতো। তবে মাইক্রোসফটের সাথে তাদের চুক্তিটি সফল না হওয়ায়, নোকিয়া পুনরায় তাদেরকে রিব্র্যান্ড করেছে এবং তাদের এ ডিভাইসগুলিতে অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যা একটি যুগপোযোগী ও দারুণ সিদ্ধান্ত।

নোকিয়া ৮.১ (Nokia 8.1)

নোকিয়া ৮.১

নোকিয়ার ক্ষেত্রে আমরা যে মডেলটিকে বেছে নিয়েছি তা হলো নোকিয়া ৮.১। এই ডিভাইসটি গত বছরের শেষদিকে বাজারে এসেছে এবং এখন পর্যন্ত বেশ ভাল রিভিউ পাচ্ছে। নচ ডিসপ্লের ফোনটিকে তাদের পূর্ববর্তী ডিভাইসের তুলনায় অনেকটাই অভিজাত করে তুলেছে। এই ফোনটি চলছে অ্যান্ড্রয়েড ওয়ান অপারেটিং সিস্টেমে।নোকিয়া ৮.১ এর ফিচারগুলো নিচে দেয়া হলোঃ

বিস্তারিত

বডি ডাইমেনশনস১৫৪.৮ x ৭৫.৮ x ৮ মিমি (৬.০৯ x ২.৯৮ x ০.৩১ ইঞ্চি)
ওজন১৮০ গ্রাম
ডিসপ্লের ধরণআইপিএস এলসিডি ক্যাপাসিটিভ টাচস্ক্রিন, ১৬ এম কালারস
ডিসপ্লের আকার৬.১৮ ইঞ্চি, ৯৫.৩ বর্গ সেন্টিমিটার  (~৮১.২% স্ক্রিন টু বডি রেশিও)
ডিসপ্লের রেজ্যুলেশন১০৮০ x ২২৮০ পিক্সেল, ১৯:৯ রেশিও
ডিসপ্লের মাল্টিটাচআছে
অপারেটিং সিস্টেমঅ্যান্ড্রয়েড
ওএস ভার্সন৯.০ (পাই) – অ্যান্ড্রয়েড ওয়ান
সিপিইউঅক্টা-কোর (২ x ২.২ গিগাহার্টজ ৩৬০ গোল্ড এবং ৬ x ১.৭ গিগাহার্টজ ক্রিয়ো ৩৬০ সিলভার)
জিপিইউএডরেনো ৬১৬
চিপসেটকোয়ালকম এসডিএম ৭১০ স্ন্যাপড্রাগন ৭১০
ইন্টারনাল মেমোরি৬৪ জিবি, ১২৮ জিবি
এক্সটার্নাল মেমোরিমাইক্রোএসডি, ৪০০ জিবি অবধি (সিম ২ স্লট)
র‍্যাম৪ জিবি, ৬ জিবি
প্রাথমিক ক্যামেরাডিয়েল: ১২ এমপি
৩ এমপি
সেকেন্ডারি ক্যামেরা২০ এমপি
ব্যাটারির ধরননন রিমুভেবল লি-আয়ন ব্যাটারি
ব্যাটারি৩৫০০ মিলি অ্যাম্পেয়ার
মূল্য৪৪,০০০ টাকা

ফোনটিতে যে ফিচারগুলো রয়েছে সে হিসাবে এর দাম খুব একটা বেশি নয়। ফোনটির ব্যাটারি সক্ষমতার দিকটি বাদ দিলে এটি একটি দারুণ ফোন।

শেষকথা

যদিও এটি একটি দীর্ঘ তালিকা, তবে শেষ পর্যন্ত আমরা এটি তৈরি করেছি। এই আর্টিকেলটিতে উল্লিখিত সমস্ত ফোনের খুঁটিনাটি দেয়া হয়েছে, তবে শেষ পর্যন্ত ক্রয়ের সিদ্ধান্ত পুরোপুরি আপনার হাতে। আমরা আশাকরছি বাজারে যে ধারা চলছে সে সম্পর্কে আমরা সাধ্যমত আলোকপাত করেছি যা আপনাকে আপনার পছন্দের ফোনটি কেনার সিদ্ধান্ত নিতে সামান্য হলেও সাহায্য করবে। এছাড়াও আপনি যদি কোনও ব্যবহৃত ফোন কিনতে চান, সেটির ব্যাপারেও রিসার্চ করতে পারেন এবং নিজের জন্য বেছে নিতে পারেন আদর্শ ফোনটি।

অনবরত জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী:

দোকানগুলিতে বা অনলাইনে এই ফোনগুলোর জন্য কি কোন ছাড় রয়েছে?

কিছু ছাড় বা অফার থাকতে পারে তবে এটি সম্পূর্নভাবে বিক্রেতা এবং ডিলারদের উপর নির্ভর করছে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলির ক্ষেত্রেও ব্যাপারটি একই রকম।

অ্যান্ড্রয়েড ওয়ান বা স্টক অ্যান্ড্রয়েড কি?

এটি আপনার ফোনে পাওয়া ওএসের একটি ফর্ম যা গুগলের তৈরি করা ডিফল্ট ইন্টারফেস। আমাদের  প্রায় সমস্ত ফোনেই পাওয়া যায় এটি। অ্যান্ড্রয়েড ওয়ান সংস্করণটিতে গুগল এটি তৈরি করেছিল। এর উপকারিতা হল এটি ব্যবহারকারীকে একটি দারুণ ইন্টারফেস এবং মাল্টিটাস্কিং সেবা সরবরাহ করে।

আমি কি এই ফোনে মেমোরি বাড়াতে পারি?

কিছু ফোনে মেমোরি কার্ড ব্যবহার করে ফোনের মেমোরি বাড়ানো যায়, তবে কিছু ফোনে এই সুবিধা নেই। এই ক্ষেত্রে, যেসব ফোনের বিল্ট-ইন মেমোরি বেশি এমন ফোন কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ।

আমি কি তাদের ব্র্যান্ড থেকে বিক্রয় পরবর্তী সেবা পাব?

এই ব্র্যান্ডগুলোর বেশিরভাগই বিক্রয় পরবর্তী সেবা দিয়ে থাকে। অ্যাপল তাদের মধ্যে অন্যগণ্য, তবে অন্যান্য ব্র্যান্ডগুলোরও ভাল কাস্টমার কেয়ার সেবা রয়েছে।

Back to top button
Close
Close