Header Ad
করোনা তথ্যখবরস্বাস্থ্য

কোভিড-১৯ এ আক্রান্তদের চিকিৎসায় ওষুধ তৈরি করছে বেক্সিমকো, বিকোন

ভাইরাস প্রতিরোধী ওষুধ ‘ফাভিপিরাভির’ তৈরি শুরু করেছে ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ও বিকোন। ওষুধটি চীনে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় সফলভাবে ব্যবহার হয়েছে।

বেক্সিমকো ও বিকোনের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানান,ওষুধটির কার্যকারিতা পরীক্ষা ও চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ওষুধ প্রশাসনের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত। সেখানে অনুমোদন পেলে বানিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যাবে প্রতিষ্ঠান দুটি।

কোভিড নাইনটিনের চিকিৎসা চলা হাসপাতালগুলোতে সরাসরি ওষুধ সরবরাহ করতে চায় বেক্সিমকো। অন্যদিকে বিকোন চাইছে, ফার্মেসিতে বিক্রি করতে। কোভিড-১৯ মোকাবেলায় বেক্সিমকো ও বিকোনের ওষুধ প্রস্তুত অত্যন্ত কার্যকরী পদক্ষেপ বাংলাদেশ এর প্রেক্ষাপটে এবং গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বেক্সিমকো ফার্মার চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) রাব্বুর রেজা ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, ‘ফাভিপিরাভির’ পাশাপাশি আরও তিনটি ওষুধ তৈরির সবুজ সঙ্কেত পেয়েছি। ওষুধগুলো সরকারকে সরবরাহ করা হবে। প্রতিটি ‘ফাভিপিরাভির’ ট্যাবলেটের মূল্য ৪০০ টাকা। আমরা এই দামেই বিক্রি করবো।

ওষুধ প্রশাসন সূত্র জানায়, স্থানীয় ছয়টি ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানও ‘ফাভিপিরাভির’ তৈরির অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে।

ইনফ্লুয়েঞ্জার ওষুধ হিসেবে জাপানের ফুজিফিল্ম হোল্ডিংসের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান তয়ামা কেমিক্যাল এভিগান ট্যাবলেট তৈরি করে। ওই ট্যাবলেটেরই বাংলাদেশি সংস্করণ ‘ফাভিপিরাভির’। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বিভিন্ন খবরে দাবি করা হয়, চীনে কোভিড নাইনটিনের চিকিৎসায় এই ওষুধ ব্যবহারে সাফল্য মিলেছে।

এরইমধ্যে কোভিড নাইনটিনের চিকিৎসায় এভিগানের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে ফুজিফিল্ম। উৎপাদনও বাড়াবে তারা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন,‘ফাভিপিরাভির’ পেটেন্ট জাপানের থাকলেও, স্বল্প উন্নত দেশ হিসেবে বিশ্ব বানিজ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী ২০৩৩ সাল পর্যন্ত ওষুধটি বাংলাদেশ উৎপাদন ও বিক্রি করতে পারবে।

যদিও ওষুধটি তৈরি করা কঠিন। কোভিড নাইনটিনের বিরুদ্ধে কার্যকারিতার সুনির্দিষ্ট তথ্য উপত্তাও নেই। ফেব্রুয়ারিতে বিশ্বজুড়ে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর মার্চের ১৮ তারিখে চীনের স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ঘোষণা করে, এভিগান ব্যবহারের ফলে ৩৪০ জন কোভিড আক্রান্ত সুস্থ হয়েছেন।

Back to top button
Close
Close