ওয়ালটনটেকনোলজিব্যবসা

ওয়ালটন এর সেরা পণ্যগুলো

ওয়ালটন- আমাদের পণ্য। ১৯৭৭ সালে পথ চলতে শুরু করা প্রতিষ্ঠানটির এই স্লোগানটিই যেন বাংলাদেশী পণ্যের মহিমা বিকাশ করে। ১৯৭৭ সালে শুধুমাত্র একটি ট্রেডিং কোম্পানি হিসেবে শুরু হলেও বর্তমানে এটি বানাচ্ছে নিত্য প্রয়োজনীয় প্রায় সবকিছুই। যার মাঝে আছে টিভি, ল্যাপটপ, ফ্রীজ, মোবাইল থেকে শুরু করে মোটরসাইকেল অবধি। কোম্পানিটি কিছুদিন আগেই পেয়েছে সুপারব্র্যান্ড পুরুষ্কার। কম মূল্যে ভাল মানের পণ্য সরবরাহ করে ব্যবহারকারীদের মন জয় করে নিয়েছে অনেকটাই। আর আজকের এই লেখাটিতে ওয়ালটন এর সেরা পণ্য গুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

ওয়ালটন টিভি

অবাক মনে হলেও এটি সত্যি যে,  ওয়ালটন এর যেমন ১২,০০০ টাকা মূল্যের টিভি রয়েছে ঠিক তেমনি রয়েছে প্রায় ১ লক্ষ টাকা মূল্যের টিভি অবধি। ৯৯,৯০০ টাকা মূল্যের তিনটি টিভি বর্তমানে তাদের পণ্যের তালিকায় রয়েছে। নিচে ওয়ালটন এর সেরা ৩টি টিভি সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হল। 

WE55RU20 (1.397m) 4K Smart

WE55RU20 (1.397m) 4K Smart

স্পেসিফিকেশনঃ

  • প্রোডাক্টের ধরনঃ এলইডি, উএইচডি স্মার্ট এন্ড্রয়েড টিভি
  • এন্ড্রয়েড ভার্শনঃ ৭.০ এওএসপি
  • জিপিইউঃ মালি ৪৫০, ৪৯২ মেগাহার্জ
  • মেমোরিঃ ১.২৫ জিবি
  • ডিসপ্লে সাইজঃ ১.৩৯৭
  • আনুমানিক অনুপাতঃ ১৬:৯, ৪:৩
  • রেজল্যুশনঃ ৩৮৪০*২১৬০
  • ভিউইং অ্যাঙ্গেলঃ ১৭৮/১৭৮
  • কন্ট্রাস্টঃ ১২০০:১
  • ভাষাঃ ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, আরবি
  • ওয়াইফাইঃ ৮০২.১১ এ/বি/এন/এসি; ২.৪জি+৫জি
  • ব্যাকলাইটঃ এলইডি
  • ওজনঃ ১৮.২২ কেজি(স্ট্যান্ড সহ), ১৭.৬৫ কেজি(স্ট্যান্ড ছাড়া)
  • মূল্যঃ ৯৯,৯০০ টাকা

এই টিভিটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো 4K। 4k টিভি কেনার জন্য এখন আর প্রয়োজন নেই বাইরের ব্র্যান্ড (Brand) গুলোর মুখাপেক্ষি হওয়ার। সাধারণ 1920*1080 রেজুলেশনের ফুল এইচডি (Full HD) মনিটর থেকে এর রয়েছে চারগুণ বেশি পিক্সেল। এছাড়াও এতে থাকছে এইচডিআর (HDR) ১০ ডিসপ্লে যা রংকে আরো দারুণ ভাবে ফুটিয়ে তোলে। মালি ৪৫০ (Mali 450) গ্রাফিক্স আপনাকে দেবে মুক্তার মত পরিষ্কার ছবি ও ভিডিও। আর সাথে থাকছে ডলবি অডিও (Dolby Audio) এর নিখুঁত সাউন্ড সিস্টেম। যা ব্যবহৃত হয় অন্যান্য সকল আন্তর্জাতিক মানের নামী দামী বিদেশী টিভিতে। শুধু তাই নয়, ওয়াই-ফাই এর সাথে যুক্ত করে যেকোনো মুভি, গান কিংবা ভিডিও উপভোগ করতে পারবেন, সাথে রয়েছে এমনকি কম্পিউটারের মনিটর হিসেবে ব্যবহার করার সুবিধাও। 

WE-MX43G (1.09m) FHD Smart

WE-MX43G (1.09m) FHD Smart

স্পেসিফিকেশনঃ

  • প্রোডাক্টের ধরনঃ এলইডি টিভি
  • এন্ড্রয়েড ভার্শনঃ ৯.০
  • সিপিইউঃ কোয়াড কোর, এ আর এম কোর্টেক্স
  • জিপিইউঃ মাল্টি কোর মালি
  • মেমোরিঃ ১ জিবি
  • ডিসপ্লে সাইজঃ ১.০৯এম
  • আনুমানিক অনুপাতঃ ১৬:৯
  • রেজল্যুশনঃ ১৯২০*১০৮০
  • ভিউইং অ্যাঙ্গেলঃ এইচ ১৭৮/ভি ১৭৮ ডিগ্রি
  • কন্ট্রাস্টঃ ৪০০০:১
  • ব্যাকলাইটঃ ইএলইডি
  • ওজনঃ ১০.২ কেজি(স্ট্যান্ড সহ), ৯.৮৮ কেজি(স্ট্যান্ড ছাড়া)
  • মূল্যঃ ৪৬, ৯০০ টাকা

ওয়ালটনের আরেকটি স্মার্টি টিভি এটি। ফুল এইডি 1920*1080 রেজুলেশনের সাহায্যে প্রায় সকল ভিডিও দেখতে পারবেন স্বচ্ছন্দে। সম্পূর্ণ এলইডি (LED) প্যানেল ব্যবহার করা হয়েছে টিভিটিতে। অর্থাৎ সরু আকার ও কম বিদ্যুৎ খরচে এলসিডি (LCD) টিভির চেয়ে উজ্জ্বল ডিসপ্লে আপনার বিদ্যুৎ খরচকে করে তুলবে সাশ্রয়ী। থাকছে ৫ ধরনের সাউন্ড মোড, ৪ ধরনের পিকচার মোড এবং প্রায় সব ফরম্যাটের ভিডিওই দেখতে পারবেন স্বচ্ছন্দে। মাত্র ১০.২ কেজির এই টিভিটি হতে পারে একটি দারুণ অপশন। 

WD-TS43V (1.09m) VOICE CONTROL FHD SMART LED

WD-TS43V (1.09m) VOICE CONTROL FHD SMART LED

স্পেসিফিকেশনঃ

  • প্রোডাক্টের ধরনঃ ১.০৯এম ভয়েস কন্ট্রোল স্মার্ট টিভি
  • এন্ড্রয়েড ভার্শনঃ ৭.০ (এওএসপি(
  • সিপিইউঃ এআরএম কোর্টেক্স-এ৫৩ কোয়াড কোর
  • জিপিইউঃ ডুয়াল কোর মালি ৪৫০
  • র‍্যামঃ ১ জিবি
  • রমঃ ৮ জিবি
  • ডিসপ্লে সাইজঃ ১.০৯এম
  • রেজল্যুশনঃ ১৯২০*১০৮০(এফএইচডি)
  • ভিউইং অ্যাঙ্গেলঃ এইচ ১৭৮/ভি ১৭৮ ডিগ্রি
  • কন্ট্রাস্টঃ ৩০০০:১
  • ব্যাকলাইটঃ ডিএলইডি
  • ওজনঃ ৭.৪০ কেজি(স্ট্যান্ড সহ), ৭.১৮ কেজি(স্ট্যান্ড ছাড়া)
  • মূল্যঃ ৩৯,৪০০ টাকা

একটু কম মূল্যে আভিজাত্যের ছোঁয়া খুজতে চাইলে এই টিভিটির বিকল্প নেই। কারণ এতে রয়েছে  ভয়েজ কন্ট্রোল সিস্টেম (Voice Control System)। অর্থাৎ টিভি রিমোটের পেছনে না ছুটে শুধু মাত্র নিজের কন্ঠস্বরের সাহায্যেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন এই টিভিটি। সত্যিকার অর্থে ‘স্মার্ট’ এই টিভিটিকে ‘হ্যালো ওয়ালটন’ বললেই সক্রিয় হয়ে যাবে এর ভয়েজ কন্ট্রোল। এছাড়াও রিমোটে থাকবে এয়ার মাউস। তাই বার বার বাটন না টিপে কাঙ্ক্ষিত চ্যানেল দেখতে পারবেন সহজেই। এছাড়াও চাইলে ফোনের ভিডিওটিও স্ক্রিন শেয়ারিং এর মাধ্যমে দেখতে পারবেন টিভিতে। সাথে আন্তর্জাতিক মানের ডলবি অডিও এর দারুণ সাউন্ড সিস্টেম তো থাকছেই। 

ওয়ালটন ল্যাপটপ

ওয়ালটন ল্যাপটপের ক্ষেত্রেও সেরা একটি ব্র্যান্ড হতে যেন উঠে পড়ে লেগেছে। আর তাই তো বাজারের সেরা কিছু ল্যাপটপ নিয়ে এসেছে তারা। এক কথায় ‘গেমিং ল্যাপটপ’ বলতে যা বোঝায় ঠিক তাই এগুলো। নাম শুনে ভুল বুঝবেন না যেন, ‘গেমিং ল্যাপটপ’ হলেও হেন কাজ নেই যা এসকল ল্যাপটপের সাহায্যে করা যায় না। বর্তমানে Prelude, Passion, Tamarind, Karonda ও Waxjambu নামে মোট ৫টি সিরিজের ল্যাপটপ বিক্রয় করে তারা।  

Waxjambu GL710G

Waxjambu GL710G

স্পেসিফিকেশনঃ

  • ডিসপ্লেঃ ১৫.৬” এফএইচডি (১৯২০৮১০৮০), ১৪৪ মেগাহার্জ ডিসপ্লে।
  • জেনারেশনঃ ১০ জেনারেশন প্রসেসর
  • সিপিইউঃ ইনটেল কোর আই ৭
  • ক্যাশ মেমোরিঃ ১৬ এমবি স্মার্ট ক্যাশ
  • গ্রাফিক্সঃ এনভিডিয়া জিফোর্স আরটিএক্স ২০৬০ ৬জিবি
  • র‍্যামঃ ১৬ জিবি ডিডিআর৪, ২৬৬৬ মেগাহার্জ
  • স্টোরেজঃ ১ টেরাবাইট এম.২ ২২৮০
  • কীবোর্ডঃ মাল্টি কালার ইলুমিনেটেড কীবোর্ড
  • ব্লুতুথঃ ওয়াইফাই ৬.০
  • সিকিউরিটিঃ টাচপ্যাডে ফিঙ্গারপ্রিন্ট
  • মূল্যঃ ১৬৮,৫০০ টাকা

উচ্চমার্গীয় ল্যাপটপের উৎকৃষ্ট উদাহরণ এটি। গেমিং থেকে শুরু করে ভিডিও এডিটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, কোডিং, সফটওয়্যার ডেভেলপিং সহ এহেন কাজ নেই যা করা যাবে না এই ল্যাপটপটির দ্বারা। ১৫.৬ ইঞ্চির ১৪৪ হার্ডজ স্ক্রিনে যেকোনো ভিডিও আসবে অস্বাভাবিক পরিষ্কার। কারণ একটি সাধারণ মনিটর যেখানে সেকেন্ডে ৬০-৭৫টির বেশি ছবি দেখাতে পারে না, এটি সেখানে প্রতি সেকেন্ডে ছবি দেখায় ১৪৪টি। সাথে ইন্টেলের সর্বশেষ ১০ম জেনারেশনের Core i7-10875H প্রসেসর এবং বিশ্বের সেরা গ্রাফিক্স কার্ড নির্মাতা প্রতিষ্ঠান NVIDIA এর RTX 2060 ৬ জিবির গ্রাফিক্স কার্ড রয়েছে এটিতে। টুরিং (Touring) প্রযুক্তির ৬ জিবি ভিডিও র‍্যামের প্রচন্ড শক্তিশালী এই গ্রাফিক্স কার্ডটি দিয়ে অনায়েসে খেলা যেতে পারে যেকোনো গেমে। ভিডিও রেন্ডারিং এও দেবে দারুণ পারফর্মেন্স। এছাড়াও এই ল্যাপটপটির আরেকটি বিশাল আকর্ষণ হলো এটির ১ টেরাবাইট M.2 2280 NVMe PCIE 3.0×4 SSD। সাধারণত কম্পিউটার HDD বা হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ ব্যবহার হয়ে থাকে। আর সাধারণ SATA HDD হতে এই M.2 SSD (Solid State Drive) ১৫-২৫ গুণ বেশি দ্রুত। আর তাই ল্যাপটপটির গতিও বেড়ে যাবে অনেকখানি। 

Karonda GX710G Pro

Karonda GX710G Pro

স্পেসিফিকেশনঃ

  • ডিসপ্লেঃ ১৫.৬” এফএইচডি আইপিএস এলইডি ব্যাকলিট ডিসপ্লে, ১৪৪ মেগাহার্জ রিফ্রেশ রেট।
  • জেনারেশনঃ ১০ জেনারেশন প্রসেসর
  • সিপিইউঃ ইনটেল কোর আই ৭
  • ক্যাশ মেমোরিঃ ১২ এমবি স্মার্ট ক্যাশ
  • গ্রাফিক্সঃ এনভিডিয়া জিফোর্স জিটিএক্স ১০৫০ ৪জিবি
  • র‍্যামঃ ১৬ জিবি ডিডিআর৪, ২৬৬৬ মেগাহার্জ র‍্যাম
  • স্টোরেজঃ ৫১২ জিবি এম.২ ২২৮০
  • কীবোর্ডঃ মাল্টি কালার ইলুমিনেটেড কীবোর্ড
  • ব্লুতুথঃ ওয়াইফাই ৬.০
  • কালারঃ সিলভার
  • মূল্যঃ ১১২,৫০০ টাকা

ওয়ালটনের Karonda সিরিজের বর্তমানে বাজারে থাকা ল্যাপটপ গুলোর মাঝে সেরা এটি। এতে আছে ১৪৪ হার্ডজ রিফ্রেশ রেটের স্ক্রিন এবং core i7 ১০ম জেনারেশনের i7-10750H মডেলের প্রসেসর। Waxjambu GL710G এর মতই এতে থাকছে NVIDIA কোম্পানির একটি গ্রাফিক্স কার্ড। GeForce GTX 1650। যদিও এটিতে নেই RTX 2060 এর Ray Tracing সুবিধা। কিন্তু এটিও বাজেটের মাঝে সেরা একটি গ্রাফিক্স কার্ড। ৪ জিবি গ্রাফিক্স কার্ডগুলোর মাঝে সবচেয়ে শক্তিশালী এই কার্ডটি দিয়েও মোটামুটি সব কাজই করা যায়। তবে র‍্যামের ক্ষেত্রে  Karonda GX710G Pro তেও আছে ২৬৬৬ মেগাহার্ডজের ১৬ জিবি র‍্যাম। সাথে ৫১২ জিবির M.2 SSD তো রয়েছেই। 

TAMARIND EX710G

TAMARIND EX710G

স্পেসিফিকেশনঃ

  • ডিসপ্লেঃ ১৪.৪” এলইডি ব্যাকলিট ডিসপ্লে
  • জেনারেশনঃ ১০ জেনারেশন প্রসেসর
  • সিপিইউঃ ইনটেল কোর আই৭
  • ক্যাশ মেমোরিঃ ৮ এমবি স্মার্ট ক্যাশ
  • গ্রাফিক্সঃ ইনটেল ইউএইচডি গ্রাফিক্স ৬২০
  • র‍্যামঃ ৮ জিবি ডিডিআর৪, ২৬৬৬ মেগাহার্জ র‍্যাম
  • স্টোরেজঃ ৫১২ জিবি এম.২ ২২৮০ এস.এস.ডি
  • কীবোর্ডঃ এলইডি ইলুমিনেটেড কীবোর্ড
  • কালারঃ সিলভার
  • মূল্যঃ ৭০,৯৯০ টাকা

ওয়ালটনের আরেকটি সিরিজ হলো Tamarind। এই মডেলের সবচেয়ে মানসম্পন্ন ল্যাপটপটি হলো এই TAMARIND EX710G। পূর্বে উল্লেখিত মডেল দুটির তূলনায় কম দাম হলেও এটিতেও আছে Core i7 এর ১০ম জেনারেশনের প্রসেসর। যদিও আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড নেই। তার বদলে ইন্টেলেরই UHD 620 গ্রাফিক্স কার্ড আছে। কিন্তু তাতে এই ল্যাপটপের 1920*1080 ডিসপ্লের সাধারণ প্রয়োজন গুলো মিটবে বেশ সহজেই। 512 জিবির M2. SSD স্টোরেজ কারণে এটিতেও পাচ্ছেন পর্যাপ্ত এবং দ্রুতগতির একটি দারুণ স্টোরেজ।

উল্লেখ্য যে, এই তিনটি ল্যাপটপের মাঝে প্রথম দুটি ল্যাপটপই ‘গেমিং ল্যাপটপ’ এর পর্যায়ে পড়ে। এদের প্রসেসর গুলো ইন্টেলের Laptop processor (ল্যাপটপের প্রসেসর) এর H ভার্সনের। মূলত ইন্টেল ল্যাপটপের জন্য দুধরনের প্রসেসর বানিয়ে থাকে, U series ও H series। এর মাঝে H সিরিজের প্রসেসর গুলো বিদ্যুৎ বেশি টানলেও কাজ করে তার সর্বোচ্চ ক্ষমতায়। আর তাই এ দুটো ল্যাপটপ দিয়ে চাইলে যেকোনো ভারী কাজই করতে পারবেন। অন্যদিকে যদি আপনার খুব ভারী কাজ যেমন, ভিডিও রেন্ডারিং কিংবা থ্রিডি অব্জেক্ট স্কেলিং এর মতো কাজের দরকার না হয়ে থাকে তাহলে নিয়ে নাতে পারেন  TAMARIND EX710G এর ল্যাপটপটি। এটিতে U series এর প্রসেসর থাকায় এটি বিদ্যুৎ টানবে কম, আর তাই ব্যাটারি ব্যাক-আপ পাবেন দীর্ঘক্ষণ। এছারাও প্রতিটি ল্যাপটপেই আছে M.2 SSD। ফলে সব কিছু স্বাভাবিকের তুলনায় খুব দ্রুত চলবে। শুধু তাই নয়, দারুণ পারফর্মেন্সের এই ল্যাপটপ গুলো দেখতেও বেশ চমৎকার। সুন্দর ডিজাইন, মজবুত গড়ন, আলোকিত কীবোর্ড সমৃদ্ধ হালকা ওজনের এই ল্যাপটপ গুলো যেকারো জন্য হতে পারে আদর্শ। 

ওয়ালটন ফ্রীজ

যদি প্রশ্ন করা হয় যে বর্তমানে ওয়ালটন কোন পণ্যটির দিক দিয়ে সেরাদের কাতারে রয়েছে। নিসন্ধেহে তার উত্তর হবে ফ্রীজ তথা রেফ্রিজেরেটর। বাংলাদেশে ওয়ালটনের কারখানা গুলোতে তৈরি হচ্ছে বিশ্বমানের ফ্রীজ। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ ছাড়িয়ে বিদেশের মাটিতেও ওয়ালটনের ফ্রীজের সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে। রেফ্রিজেরেটর হলো ওয়ালটনের সবচেয়ে সফল রপ্তানি পণ্য গুলোর একটি। চলুন জানা যাক দেশের বাজারে ওয়ালটনের সেরা ফ্রীজ কোনগুলো। 

WNI-6A9-GDSD-DD

WNI-6A9-GDSD-DD

স্পেসিফিকেশনঃ

  • টাইপঃ নন-ফ্রস্ট
  • ক্যাপাসিটিঃ ৫৯০ লিটার
  • ভোল্টেজঃ ২২০/২৪০ ভি/ ৫০ হার্জ
  • কমপ্রেসরঃ বিএলডিসি ইনভার্টার
  • মূল্যঃ ৮০,৯০০ টাকা

ওয়ালটন নানা ধরনের রেফ্রিজেরেটর এবং ফ্রীজার বানিয়ে থাকলেও এই ফ্রীজটি সেগুলোর মাঝে সর্বাধিক উন্নত প্রযুক্তির। নন-ফ্রস্ট প্রযুক্তির এই ফ্রীজটি অন্য যেকোনো সাধারণ ডিরেক্ট কুল (Direct Cool) প্রযুক্তির ফ্রীজ থেকে এগিয়ে রয়েছে কয়েকগুণ। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা এই নন-ফ্রস্ট প্রযুক্তি। কারণ এই প্রযুক্তিতে ফ্রীজের ভেতরে বরফের তেমন কোন বালাই নেই। এর ভেতরে বিভিন্ন স্থানে রয়েছে ফ্যান, এবং সেই ফ্যানের সাহায্যেই পুরো ফ্রীজ জুড়ে অতি নিম্ন তাপমাত্রায় বাতাস ছড়িয়ে দিয়ে ফ্রীজ থাকে চমৎকার ঠান্ডা। এই ফ্রীজটিতে যেহেতু আলাদা বরফ জমে না, তাই পরিষ্কার করাটাও খুবই সহজ। এছাড়াও খাবার ও মাছ-মাংস সাধারণ ফ্রীজের তুলনায় থাকে বেশি সতেজ। শুধু তাই নয়, সর্বাধুনিক এই ফ্রীজটিতে রয়েছে, ডিজিটাল ডিসপ্লে ও ইলেক্ট্রনিক কন্ট্রোল। রয়েছে ইন্টিলিজেন্ট ইনভার্টার। ফলে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পাশাপাশি ফ্রীজটির বাইরের তাপমাত্রাও থাকবে একদম নিয়ন্ত্রিত। মোট ৫৯০ লিটার ধারণ ক্ষমতার এই বিশাল ফ্রীজটি বড় পরিবার অথবা ব্যবসা ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য একদম আদর্শ। 

WNI-5F3-GDEL-DD

WNI-5F3-GDEL-DD

স্পেসিফিকেশনঃ

  • টাইপঃ নন-ফ্রস্ট
  • ক্যাপাসিটিঃ ৫০১ লিটার
  • ভোল্টেজঃ ২২০/২৪০ ভি/ ৫০ হার্জ
  • কমপ্রেসরঃ বিএলডিসি ইনভার্টার
  • মূল্যঃ ৬৯,৯০০ টাকা

ওয়ালটনের আরেকটি নন-ফ্রস্ট প্রযুক্তির ফ্রীজ এটি। নন-ফ্রস্ট প্রযুক্তির সকল সুবিধার পাশাপাশি এতে থাকছে ১০০% কপার কন্ডেন্সার। যা স্টিল কন্ডেন্সার হতে কয়েকগুণ বেশি দীর্ঘস্থায়ী। এতে রয়েছে ইকো মোড (Eco Mode), ফলে দীর্ঘক্ষণ ঘরের বাইরে  অবস্থান করলেও ফ্রীজটি যথাসম্ভব বিদ্যুৎ সাশ্রয় করবে। এছাড়াও ফ্রীজটিতে রয়েছে অতি নিম্ন ও উচ্চ ভোল্টেজের সাথে খাপ খাইতে নিতে পারার ব্যবস্থা। সর্বনিম্ন ৮৫ ভোল্ট হতে সর্বোচ্চ ২৮০ ভোল্ট এর মাঝেও ফ্রীজটি থাকবে সম্পূর্ণ নিরাপদ। ফলে আলাদা করে ভোল্টেজ স্টেবিলাইজার (Voltage Stabilizer) ব্যবহার এর ও নেই কোন প্রয়োজন। এছাড়াও সম্পূর্ণ টেম্পারড (Tempered) কাঁচের দরজা এটিকে করে তুলে দারুণ আকর্ষণীয়। সাথে ঘরের দুষ্টু বাচ্চাটির যন্ত্রণা হতে মুক্ত থাকতে এই ফ্রীজটিতে রয়েছে একটি চাইল্ড লক (Child Lock) ও।  ৫০১ লিটার ধারণক্ষমতার এই ফ্রীজটির সাহায্যে খুব সহজেই মিটে যাবে একটি বড়সড় পরিবারের চাহিদা। 

WFC-3F5-GDNE-XX

WFC-3F5-GDNE-XX

স্পেসিফিকেশনঃ

  • টাইপঃ ডিরেক্ট কুল
  • ক্যাপাসিটিঃ ৩৬৫ লিটার
  • ভোল্টেজঃ ২২০/২৪০ ভি/ ৫০ হার্জ
  • কমপ্রেসরঃ বিএলডিসি ইনভার্টার
  • মূল্যঃ ৪০,৩৯০ টাকা

বর্তমানে ওয়ালটনের ডিরেক্ট কুল প্রযুক্তির যে কয়েকটি ফ্রীজ আছে তার মাঝে সবচেয়ে উন্নত এই ফ্রীজটি। ডিরেক্ট কুল পদ্ধতি হলেও এতে রয়েছে সর্বাধুনিক কিছু প্রযুক্তি। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো ন্যানো সিলভার প্রযুক্তি এবং এর ফাংগাস বিরোধী দরজা। এর ন্যানো সিলভার প্রযুক্তির কারণে ফ্রীজের ভেতর কোন ব্যাকটেরিয়াই বংশবৃদ্ধি করতে সক্ষম নয়। কারণ ফ্রীজের ভেতরকার অংশে ব্যাকটেরিয়া স্পর্শ করা মাত্রই তা ধংস্ব হয়ে যেতে বাধ্য। একইভাবে ফ্রীজটির দরজাতেও রয়েছে ফাংগাস ও ব্যাকটেরিয়া বিরোধী প্রযুক্তি। যা নিষ্ক্রিয় করতে পারে মোট ৬৫০ প্রজাতির ও অধিক ব্যাকটেরিয়াকে। সাথে দৃষ্টিনন্দন কাঁচের দরজা সম্বলিত ৩৬৫ লিটারের এই ফ্রীজটি চমৎকার মানিয়ে যাবে যেকোনো ছোট বা মাঝারি পরিবারের সঙ্গে। 

এছাড়াও প্রত্যেকটার ফ্রীজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ তথা কম্প্রেসরের জন্য থাকছে টানা ১২ বছরের ওয়ারেন্টি। একইসাথে প্রতিটি ফ্রীজই ১০০% সিএফসি গ্যাস মুক্ত। ফলে পরিবেশের ক্ষতি করে না বললেই চলে। 

ওয়ালটন মোবাইল 

দীর্ঘদিন ধরে কম মূল্যের বাজারে নির্ভরযোগ্যতার জন্য ওয়ালটনই যেন একমাত্র ভরসা। তবে একইভাবে এখন তারা মাঝারি মূল্যের ফোনেও দারুণ পারফর্মেন্স দেখাচ্ছে। বর্তমানে ৫৭০০ হতে ২৫০০০ টাকা মূল্যের ফোন রয়েছে ওয়ালটনের ঝুলিতে। 

Primo X5

Primo X5

স্পেসিফিকেশনঃ

  • অপারেটিং সিস্টেমঃ অ্যান্ড্রয়েড ৯.১ অরিও
  • প্রসেসরঃ ৬৪-বিট ২ গিগাহার্জ অক্টা কোর
  • জিপিইউঃ মালি-৫৭১
  • র‍্যামঃ ৬জিবি
  • রমঃ ৬৪ জিবি
  • সিম টাইপঃ ৪জি নেটওয়ার্ক সাপোর্টেড ডুয়াল সিম স্লট(ডুয়াল স্ট্যান্ডবাই)
  • নেটওয়ার্ক টাইপঃ এলটিই/ইউএমতিএস/জিএসএম
  • ডিসপ্লে সাইজঃ ৫.৯৯ ইঞ্চি ফুল এইচডি+ ১৮:৯ ফুল ভিউ
  • রেজল্যুশনঃ ২১৬০X১০৮০, ২৬ মিলিয়ন কালার সাপোর্টেড
  • ক্যামেরাঃ ১৩ মেগাপিক্সেল রেয়ার, ১৬ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট
  • ব্যাটারিঃ ৩৪৫০ এমএএইচ (মিলি অ্যাম্পিয়ার)
  • মূল্যঃ ২৪,৯৯৯ টাকা

বর্তমানে এই ফোনটি ওয়ালটনের সবচেয়ে দামি ফোন। এর ৬ জিবি র‍্যাম এনে দেবে সম্পূর্ণ বাধাহীন পারফর্মেন্স। অন্যদিকে ৬৪ জিবি রমের কারণে স্টোরেজের চাহিদাও মিটবে সহজেই। আইপিএস (IPS) ডিসপ্লের সাথে 2160*1080 পিক্সেল এর দারুণ রেজুলেশনে যেকোনো ছবি কিংবা ভিডিও দেখা যাবে একদম পরিষ্কার। 

Primo S7 Pro

Primo S7 Pro

স্পেসিফিকেশনঃ

  • অপারেটিং সিস্টেমঃ অ্যান্ড্রয়েড ৯.০ পাই
  • প্রসেসরঃ ২.১ গিগাহার্জ অক্টা কোর, হেলিও পি৭০
  • জিপিইউঃ মালি-৫৭২
  • র‍্যামঃ ৬জিবি
  • রমঃ ১২৮ জিবি
  • সিম টাইপঃ ৪জি নেটওয়ার্ক সাপোর্টেড ডুয়াল সিম স্লট(ডুয়াল স্ট্যান্ডবাই)
  • নেটওয়ার্ক টাইপঃ ২জি/৩জি/৪জি
  • ডিসপ্লে সাইজঃ ৬.৩ ইঞ্চি ১৯.৫:৮ভি-নচ এফএইচডি+ ১
  • রেজল্যুশনঃ ২৩৪০/১০৮০ পিক্সেল, ২৬ মিলিয়ন কালার সাপোর্টেড
  • ক্যামেরাঃ ৪৮+৮+২ মেগাপিক্সেল রেয়ার, ১৬ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট
  • ব্যাটারিঃ ৩৯৫০ এমএএইচ (মিলি অ্যাম্পিয়ার)
  • মূল্যঃ ১৯,৯৯৯ টাকা

বর্তমানে বাজেট অনুযায়ী ওয়ালটনের সেরা ফোনের মুকুটটি কিন্তু প্রিমো এস৭ প্রো (Primo S7 Pro) এর মাথাতেই শোভা পাচ্ছে। এতে রয়েছে দারুণ পার্ফরমেন্স ও চমকপ্রদ সব ফিচার। হেলিও পি ৭০ (Helio P70) চিপসেটের বদৌলতে আরামসে ব্যবহার করতে পারবেন যেকোনো অ্যাপস। সাথে থাকছে ৬জিবি র‍্যাম ও ১২৮ জিবি রম। যারা ভাল ছবি তুলতে পছন্দ করেন তাদের জন্যও এ ফোনটি দারুণ। মূল ক্যামেরা হিসেবে থাকছে ৪৮+৮+২ মেগাপিক্সেলের তিনটি ক্যামেরা। অন্যদিকে সেলফি তোলার জন্য থাকছে ১৬ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যাম। শুধু এখানেই শেষ নয়। সাধারণ ১৮ ওয়াটের চার্জারের পাশাপাশি এর রয়েছে ১০ ওয়াটের ওয়্যারলেস চার্জিং এর ও সুবিধা। অর্থাৎ অভিজাত তারবিহীন চার্জারের সুবিধা পাচ্ছেন মাত্র ১৯,৯৯৯ টাকা মূল্যের এই সেরা বাজেট ফোনে। 

Primo S7

Primo S7

স্পেসিফিকেশনঃ

  • অপারেটিং সিস্টেমঃ অ্যান্ড্রয়েড ৯.০ পাই
  • প্রসেসরঃ ৬৪ বিট, ২.০ গিগাহার্জ অক্টা কোর প্রসেসর
  • জিপিইউঃ পাওয়ার ভিআর রজ জিই৮৩২০
  • র‍্যামঃ ৩ জিবি
  • রমঃ ৩২ এবং ৬৪ জিবি
  • সিম টাইপঃ ৪জি নেটওয়ার্ক সাপোর্টেড হাইব্রিড ডুয়াল সিম স্লট (ডুয়াল স্ট্যান্ডবাই)
  • নেটওয়ার্ক টাইপঃ ২জি/৩জি/৪জি
  • ডিসপ্লে সাইজঃ ৬.২৬ ইঞ্চি ১৯.৯ ইউ-নচ এইচডি+
  • রেজল্যুশনঃ ১৫২০/৭২০ পিক্সেল, ২৬ মিলিয়ন কালার সাপোর্টেড
  • ক্যামেরাঃ ১২+১৩+২ মেগাপিক্সেল রেয়ার, ১৬ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট
  • ব্যাটারিঃ ৩৯০০ এমএএইচ (মিলি অ্যাম্পিয়ার)
  • মূল্যঃ ১৫,৬৯৯ টাকা

যাদের জন্য প্রিমো এস৭ প্রো (Primo S7 Pro) এর ক্রয়মূল্যটি একটু বেশিই হয়ে যায় তাদের জন্য থাকছে আরেকটি দারুণ বাজেট ফোন প্রিমো এস৭ (Primo S7)। প্রিমো এস৭ প্রো (Primo S7 Pro) এরই সহোদর এই ফোনটি। দেখতে প্রায় এক রকম হলেও এর পেছনের অংশটি প্রায় কাঁচের মতো হওয়ায় অনেক ব্যবহারকারীর জন্যই একটু বেশি আরামদায়ক। মূল ক্যামেরা হিসেবে থাকছে ১২+১৩+২ মেগাপিক্সেলের তিনটি ক্যামেরা যাতে থাকবে সনি আইএমএক্স৪৮৬ (Sony IMX486) সেন্সর। অন্যদিকে ১৬ মেগা পিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা, ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর ও ফেস রিকগনিশনের অর্থাৎ চেহারার সাহায্যেই ফোন খুলে ফেলার মতো বেশ কিছু ফিচার তো থাকছেই। 

ওয়ালটন মোটরসাইকেল

বর্তমানে নানা দেশি বিদেশি মোটরসাইকেলের ভিড়ে কম দামে চাহিদা মেটানোর মত মোটরসাইকেল খুঁজে পাওয়াই মুশকিল। আর এক্ষেত্রে একটি ভাল পছন্দ হতে পারে ওয়ালটন। বেশ কম দামেই তারা মোটরসাইকেল কেনার সুযোগ করে দিয়েছে এ দেশের সাধারণ ক্রেতাদের। নিচে ওয়ালটনের ৩ টি সেরা মোটরসাইকেল সম্পর্কে বিস্তারিত করা হল।

Walton Xplore 140

Walton Xplore 140

স্পেসিফিকেশনঃ

  • টাইপঃ সিঙ্গেল সিলিন্ডার, ৪-স্ট্রোক, এয়ার কুলিং
  • ডিসপ্লেসমেন্ট(সি সি)ঃ ১৩৮ সিসি
  • কুলিংঃ এয়ার কুলড ইঞ্জিন
  • গিয়ারঃ
  • ক্লাচঃ ওয়েট টাইপ, মাল্টি প্লেট
  • বডি ডাইমেনসনঃ ১৯৯০*৮৮০*১২৭৫
  • ফুয়েল ট্যাঙ্ক ক্যাপাসিটিঃ ১৭ লিটার
  • ওজনঃ ১২৯ কেজি
  • সাসপেন্সনঃ টেলিস্কোপ(সামনে), টুইন সকস(পেছনে)
  • ব্রেকিংঃ ডিস্ক(সামনে), ড্রাম(পেছনে)
  • ব্যাটারিঃ ১২ভোল্ট
  • হেড ল্যাম্পঃ ১২ ভোল্ট
  • মূল্যঃ ১২৫,০০০ টাকা

এই মোটরসাইকেলটি বর্তমানে ওয়ালটনের সবচেয়ে দামি মোটরসাইকেল। মোটরসাইকেলটিতে রয়েছে ৪ স্ট্রোকের ১৩৮ সিসির ইঞ্জিন যা একে ছোটাতে পারে ১২০ কি. মি. প্রতি ঘন্টায়। তবে গতির সাথে সাথে এর তেলের চাহিদাও কিছুটা বেশি। এক লিটার যেতে পারে গড়ে ৪০ কিলোমিটার। সাথে আধুনিক গিয়ার ডিসপ্লে (Gear Display), মুঠোফোন ইন্ডিকেটর, চুরি প্রতিরোধী সিস্টেম, সামনে পেছনে দু চাকাতেই ডাবল ডিস্কের ব্রেক এই বাইকটিকে করে তুলেছে এ দামে অপ্রতিদ্বন্দী। 

Walton Fusion 125 NX

Walton Fusion 125 NX

স্পেসিফিকেশনঃ

  • টাইপঃ ৪-স্ট্রোক, এয়ার কুলিং
  • ডিসপ্লেসমেন্ট(সি সি)ঃ ১২৫ সিসি
  • কুলিংঃ এয়ার কুলড ইঞ্জিন
  • গিয়ারঃ
  • ক্লাচঃ ওয়েট টাইপ, মাল্টি ডিস্ক
  • বডি ডাইমেনসনঃ ২০৫০*৯১০*১২৯০
  • ফুয়েল ট্যাঙ্ক ক্যাপাসিটিঃ ১৭ লিটার
  • ওজনঃ ১২২ কেজি
  • সাসপেন্সনঃ টেলিস্কোপ(সামনে), সুইং(পেছনে)
  • ব্রেকিংঃ ডিস্ক(সামনে), ড্রাম(পেছনে)
  • ব্যাটারিঃ ১২ভোল্ট
  • মূল্যঃ ১০৫,০০০ টাকা

ওয়ালটনের ফিউশন সিরিজের সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় মোটরসাইকেল এটি। এটি একইসাথে যেমন আপনার চাহিদা পূরণ করতে পারবে তেমনি অনেকের কাছে দারুণ স্টাইলিশ একটি মোটরসাইকেল এটি। রুপ ও গুণের মিশেল ১২৫ সিসি ইঞ্জিনসমৃদ্ধ এই মোটরসাইকেলটির সর্বোচ্চ গতি ১০০ কি. মি.। কিন্তু এর মাইলেজটি অসাধারণ। প্রতি লিটার তেলে গড়ে ৫৫ কি. মি. চলার সামর্থ্য রয়েছে এটির। এছাড়াও ইলেক্ট্রনিক স্টার্ট থাকার কারণে একটি সুইচ টিপেই চালু করতে পারবেন মোটরসাইকেলটি। হরেক রকম বৈশিষ্ট্য, রং এবং গুণ সবমিলিয়ে ওয়ালটনের হট কেক এটি।  

Walton Prizm 110

Walton Prizm 110

স্পেসিফিকেশনঃ

  • টাইপঃ সিঙ্গেল সিলিন্ডার, ৪-স্ট্রোক, এয়ার কুলিং
  • ডিসপ্লেসমেন্ট(সি সি)ঃ ১০৭ সিসি
  • কুলিংঃ এয়ার কুলড ইঞ্জিন
  • গিয়ারঃ
  • ক্লাচঃ ওয়েট টাইপ, মাল্টি প্লেট
  • বডি ডাইমেনসনঃ ২০১০*৮৮০*১৩১৫
  • ফুয়েল ট্যাঙ্ক ক্যাপাসিটিঃ ১৫ লিটার
  • ওজনঃ ১১৭ কেজি
  • সাসপেন্সনঃ টেলিস্কোপ(সামনে), টুইন সক্স (পেছনে)
  • ব্রেকিংঃ ডিস্ক(সামনে), ড্রাম(পেছনে)
  • ব্যাটারিঃ ১২ভোল্ট
  • মূল্যঃ ১১০,৬০০ টাকা

একটু কম দামের মাঝে এটি হতে পারে একটি দারুণ পছন্দ। ১১০ সিসির এই ইঞ্জিন সমৃদ্ধ এই বাইকটি ছুটতে পারবে সর্বোচ্চ ৯০ কি. মি. প্রতি ঘন্টায়। যা বাংলাদেশের রাস্তায় যথেষ্ট এর ও চেয়েও বেশি। একইসাথে এর রয়েছে এন্টি-ভাইব্রেশন (Anti Vibration) প্রযুক্তি এবং পেছনের চাকায় রয়েছে টুইন শক(Twin shock) প্রযুক্তি । ফলে চালনা হয় খুবই আরামদায়ক। ঝাঁকি প্রায় অনূভত হয় না বললেই চলে। 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button