পরিচয় পত্রপাসপোর্ট

ই-পাসপোর্ট রিনিউ বা নবায়ন করার নিয়ম (২০২১)

২০২০ সালের ২২ শে জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশে পৃথিবীর ১১৯ তম দেশ হিসেবে ই-পাসপোর্টের ব্যবহার শুরু হয়। এ পর্যন্ত দেশে মূলত এমআরপি বা মেশিন রিডেবল পাসপোর্টই ব্যবহার করা হত। ই-পাসপোর্ট হচ্ছে বর্তমান যুগের অন্যতম নিরাপদ পাসপোর্ট। এতে একটি ছোট মাইক্রোপ্রসেসর বা চিপের মাঝে পাসপোর্টের সকল তথ্য এবং মোট ৩৮ ধরনের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য থাকে। এতে করে অন্য দেশে ভ্রমণে গেলেও দীর্ঘ সময় ধরে পাসপোর্ট পরীক্ষার জন্য দাঁড়িয়ে থাকার প্রয়োজন হবে না। একারণে এখন প্রায় সকলেই পুরাতন এমআরপি বা মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট নবায়ন করে ই-পাসপোর্টে রূপান্তর করতে চাইছেন। যাতে পাসপোর্টের নিরাপত্তা বজায় থাকে ও মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের সমস্যাগুলোর অধিকাংশই কাটিয়ে উঠা যায়।

তবে চলুন জেনে নেওয়া যাক পাসপোর্ট রিনিউ  বা নবায়ন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যঃ

সূচিপত্রঃ

এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্টে রিনিউ করার সুবিধা 

এমআরপি পাসপোর্ট ব্যাবহারকারিদের ক্ষেত্রে নতুন করে ই-পাসপোর্ট তৈরী করার তুলনায় এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্টে রিনিউ করাটা বেশ অনেকটাই সহজ ও সুবিধাজনক। এক্ষেত্রে অধিকাংশ তথ্যই এমআরপি পাসপোর্টের সাথে মিলিয়ে দেখা হবে। ফলে তথ্যের প্রমাণ দেখানোর জন্য অতিরিক্ত কাগজপত্র জোগাড় করতে হবে না। যদিও এই কাজের জন্য পুরাতন এমআরপি-এর ফটোকপি জমা দিতে হবে এবং ক্ষেত্র বিশেষে পাসপোর্টটি ও দেখাতে হবে। কিন্তু সব মিলিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের জন্য এক্ষেত্রে খুব একটা ঝামেলা পোহাতে হবে না। এছাড়াও ই-পাসপোর্ট তৈরীর সময় কোন ধরনের তথ্য সত্যায়িত করতে হবে না। পুরাতন তথ্য দিয়েই সব কাজ চালিয়ে নেওয়া যাবে।

এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্ট নবায়ন করার আরেকটি বিশেষ সুবিধা হচ্ছে এক্ষেত্রে নতুন করে পুলিশ ভেরিফিকেশন করাতে হবে না। পাসপোর্ট তৈরী করার অন্যতম ও বেশ সমস্যার একটি ধাপ হচ্ছে পুলিশ ভেরিফিকেশন করানো। এই ধাপটি এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্টে নবায়নের সময় প্রয়োজন না হওয়ায় এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্ট নবায়ন করাটা আবেদনকারীর অনেকখানি সময় ও শ্রম সাশ্রয় করবে।

ই-পাসপোর্ট রিনিউ করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র 

এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্ট নবায়ন করতে হলে নির্দিষ্ট কিছু কাগজপত্রের প্রয়োজন হবে। এখানে তার তালিকা দেয়া হলো:

১) জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপিঃ এক্ষেত্রে আবেদনকারীর বয়স ২০ বছরের বেশী হলে তাকে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিতে হবে। আবেদনকারীর বয়স ১৮-২০ বছরের মাঝে হলে জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদের মধ্যে যেকোনো একটির ফটোকপি জমা দিতে হবে। এবং আবেদনকারীর বয়স ১৮ বছরের নিচে হলে তাকে জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি জমা দিতে হবে। এখানে আরেকটি বিষয় উল্লেখ্য যে, আবেদনকারী যদি জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি জমা দিয়ে থাকে, তবে তাকে জন্ম নিবন্ধন সনদের সাথে সাথে পিতামাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিও জমা দিতে হবে।

২) মূল আবেদনের রঙ্গিন প্রিন্টেড কপিঃ আবেদন করতে epassport.gov.bd এই লিংকে প্রবেশ করুন। আবেদন শেষ হলে আলাদা করে আবেদনের রঙ্গিন কপি প্রিন্ট করে নিতে হবে।

৩) পুরাতন মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ও এর ফটোকপি।

৪) ব্যাংকে পাসপোর্টের ফি জমা দিলে টাকা জমা দেওয়ার রশিদ।

ই-পাসপোর্ট রিনিউ করার পদ্ধতি

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করা হয়ে গেলে এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্টে নবায়ন এর করার কাজ শুরু করা যাবে। এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্ট নবায়ন করতে নির্দিষ্ট কিছু ধাপ সম্পন্ন করতে হবে।

ধাপ ১ঃ নিকটস্থ পাসপোর্ট অফিসে ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম শুরু হয়েছে কিনা দেখুন

ই-পাসপোর্ট দেওয়ার কার্যক্রম বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগীয় ও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ধীরে ধীরে শুরু হচ্ছে। তাই আপনার এলাকায় ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম শুরু হয়েছে কিনা তা জানার জন্য জেলার নির্দিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করতে হবে। অনলাইনে আবেদন করার সময় বর্তমান জেলা ও থানার নাম যুক্ত করে নিয়ে ফরম পুরণ শুরু করতে হবে। 

ধাপ ২ঃ আবেদন ফরম পূরন করুন

ই-পাসপোর্টের রিনিউ এর আবেদনের জন্য অফলাইনে বা পিডিএফ ডাউনলোড করে আবেদন করা যাবে। এক্ষেত্রে আবেদনের পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করে প্রিন্ট করিয়ে নিতে হবে। এক্ষেত্রে ফরমটি হাতে পূরন করা যাবে না। কেউ চাইলে পিডিএফ এডিটরের সাহায্যে ফরমের পিডিএফটি পুরণ করে নিতে পারবেন। এছাড়াও ই-পাসপোর্টের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এখানে আবেদন করার সময় রি-ইস্যু বাটনটি ক্লিক করে সরাসরি আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।

ধাপ ৩ঃ পাসপোর্ট ফি পরিশোধ করুন

ই-পাসপোর্ট রিনিউ করার ফি অনলাইনে এবং ব্যাংকে গিয়ে উভয়ভাবেই পরিশোধ করা যাবে। 

পাসপোর্ট রিনিউ ফি ব্যাংকে গিয়ে পরিশোধের ক্ষেত্রেঃ

ই-পাসপোর্টের ফি পাসপোর্ট অফিসের নির্ধারিত করা নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংকে পরিশোধ করা যাবে। ব্যাংকগুলোর নাম হলো-

  • ওয়ান ব্যাংক
  • প্রিমিয়ার ব্যাংক
  • সোনালী ব্যাংক
  • ট্রাস্ট ব্যাংক
  • ব্যাংক এশিয়া
  • ঢাকা ব্যাংক

ব্যাংকে পাসপোর্টের ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যাংকগুলোর যেকোনো শাখায় ফি জমা দেওয়া যাবে। ফি জমা দেওয়ার সময় ই-পাসপোর্টের জন্য করা আবেদনপত্রের রঙ্গিন প্রিন্টেড কপিটি অবশ্যই সাথে রাখতে হবে।

পাসপোর্ট রিনিউ ফি অনলাইনে পরিশোধের ক্ষেত্রেঃ

অনলাইনে ই-পাসপোর্টের ফি পরিশোধ করার সুবিধা হচ্ছে এতে পাসপোর্ট ফি-এর পরিমান স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব করা হয়। এছাড়া এতে সময় ও শ্রমেরও সাশ্রয় হয়। অনলাইনে ফি পরিশোধের পদ্ধতিগুলো হচ্ছে-

  • মাস্টারকার্ড (MasterCard)
  • ভিসা কার্ড (visa)
  • কিউ-ক্যাশ (Q-Cash)
  • বিকাশ
  • ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং

এছাড়াও চাইলে সোনালী ব্যাংকের পেমেন্ট গেটওয়ের সাহায্যেও অনলাইনে ই-পাসপোর্টের ফি পরিশোধ করা যাবে।

ধাপ ৪ঃ ছবি ও ফিঙ্গারপ্রিন্টের জন্য পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করুন

ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার পরে একটি নির্দিষ্ট দিনে বর্তমান ঠিকানা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে যেতে হবে। এসময় সাথে করে আবেদনের রঙ্গিন প্রিন্টেড কপি, ই-পাসপোর্টের ফি প্রদানের রশিদ, জাতীয় পরিচয়পত্রের বা জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি, পুরাতন এমআরপি পাসপোর্টের ফটোকপি ও মূল পাসপোর্টটি এবং অন্যান্য সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাথে নিয়ে নির্দিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে যেতে হবে। এছাড়া কেউ দেশের বাইরে থেকে পাসপোর্ট তৈরী করতে চাইলে আবেদনকারীকে ঐ দেশের দুতাবাসে যেতে হবে। পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পরে নির্দিষ্ট কিছু তথ্য যাচাই করে দেখা হবে।

  • আবেদনকারীর ব্যাক্তিগত তথ্য ও কাগজপত্র।
  • আবেদনকারীর ছবি। ছবি তোলার ক্ষেত্রে সাদা পোশাক, সাদা টুপি, চশমা পরিধান করে ছবি তোলা যাবে না।
  • আঙ্গুলের ছাপ ও আইরিশের ছবি। 
  • পাসপোর্ট ফি পরিশোধের রশিদ থেকে ফি পরিশোধ নিশ্চিতকরণ।

তথ্যগুলো যাচাই করার পর আবেদনকারীকে ই-পাসপোর্ট সরবারাহের রশিদ দেওয়া হবে। পাসপোর্ট সংগ্রহের সময় এই রশিদটিই দেখাতে হবে।

ধাপ ৫ঃ পাসপোর্ট অফিস থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করুন

পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য আবেদনকারীকে সশরীরে পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হতে হবে। পাসপোর্ট সংগ্রহের সময় আবেদনকারীর আঙ্গুলের ছাপ মিলিয়ে দেখা হয়। এছাড়াও এখানে পাসপোর্ট সরবরাহের রশিদটি প্রদর্শন করতে হবে। এবং এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য পুরাতন মেশিন রিডেবল পাসপোর্টটি দেখাতে হবে।

ই-পাসপোর্ট নবায়ন করার খরচ

ই-পাসপোর্ট তৈরী ও এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্টে রিনিউ করার খরচ একই। এখানে ই-পাসপোর্টের জন্য প্রয়োজনীয় খরচ উল্লেখ করা হলোঃ

৫ বছরের মেয়াদ সম্বলিত ৪৮ পাতার পাসপোর্টের ক্ষেত্রে

  • নিয়মিত পাসপোর্ট- ১৫ কর্মদিবসের মাঝে প্রদানঃ ৪,০২৫ টাকা
  • জরূরী পাসপোর্ট- ৭ কর্মদিবসের মাঝে প্রদানঃ ৬,৩২৫ টাকা
  • অতি জরুরী পাসপোর্ট- ২ কর্মদিবসের মাঝে প্রদানঃ ৮,৬২৫ টাকা 

১০ বছরের মেয়াদ সম্বলিত ৪৮ পাতার পাসপোর্টের ক্ষেত্রে

  • নিয়মিত পাসপোর্ট- ১৫ কর্মদিবসের মাঝে প্রদানঃ ৫,৭৫০ টাকা
  • জরূরী পাসপোর্ট- ৭ কর্মদিবসের মাঝে প্রদানঃ ৮,০৫০ টাকা
  • অতি জরুরী পাসপোর্ট- ২ কর্মদিবসের মাঝে প্রদানঃ ১০,৩৫০ টাকা

৫ বছরের মেয়াদ সম্বলিত ৬৪ পাতার পাসপোর্টের ক্ষেত্রে

  • নিয়মিত পাসপোর্ট- ১৫ কর্মদিবসের মাঝে প্রদানঃ ৬,৩২৫ টাকা
  • জরূরী পাসপোর্ট- ৭ কর্মদিবসের মাঝে প্রদানঃ ৮,৩২৫ টাকা
  • অতি জরুরী পাসপোর্ট- ২ কর্মদিবসের মাঝে প্রদানঃ ১২,০৭৫ টাকা 

১০ বছরের মেয়াদ সম্বলিত ৬৪ পাতার পাসপোর্টের ক্ষেত্রে

  • নিয়মিত পাসপোর্ট- ১৫ কর্মদিবসের মাঝে প্রদানঃ ৮,০৫০ টাকা
  • জরূরী পাসপোর্ট- ৭ কর্মদিবসের মাঝে প্রদানঃ ১০,৩৫০ টাকা
  • অতি জরুরী পাসপোর্ট- ২ কর্মদিবসের মাঝে প্রদানঃ ১৩,৮০০ টাকা

এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্টে রিনিউ এর সময় কোন তথ্য পরিবর্তনের ক্ষেত্রে করনীয়

বিভিন্ন কারণে পাসপোর্টে ভুল তথ্য আসতে পারে। এর মধ্যে অধিকাংশই অবশ্য বানান ভুল থাকে। এছাড়াও কারও তার পেশা, ঠিকানা ইত্যাদিও পরিবর্তন করতে হতে পারে। তাই এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্টে নবায়ন করার সময় আবেদনকারী পুরাতন পাসপোর্টে থাকা ভুল বা পরিবর্তিত তথ্য সহজেই পরিবর্তন করে নিতে পারবেন। 

  • নামের বানান ভুল হলে: পুরাতন পাসপোর্টে যদি কারো নামের বানান ভুল থেকে থাকে তাহলে সেটি পরিবর্তনের জন্য জন্ম নিবন্ধন সনদের বা জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ক্ষেত্র বিশেষে পিতা মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের সনদ প্রদর্শন করতে হবে।
  • পেশা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে: এমআরপি এবং নতুন ই-পাসপোর্টে যদি পেশার ভিন্নতা থাকে তাহলে ই-পাসপোর্ট নবায়নের সময় নতুন পেশার প্রমাণ দেখাতে হবে। শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র, বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য চাকরিরত প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সরকারি আদেশনামা বা জিও এবং যারা অবসরপ্রাপ্ত হয়েছেন তাদের জন্য অবসরে যাওয়ার নথি প্রদর্শন করতে হবে। এছাড়াও নতুন ব্যবসা শুরু করা ব্যবসায়ীরা তাদের ট্রেড লাইসেন্সও প্রদর্শন করতে পারবেন।
  • অস্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে: পুরাতন পাসপোর্টের অস্থায়ী ঠিকানার সাথে ই-পাসপোর্টের ঠিকানার ভিন্নতা থাকলে নতুন ঠিকানার প্রমান হিসেবে নতুন ঠিকানার ইউটিলিটি বিলের ফটোকপি জমা দিতে হবে। ইউটিলিটি বিল হিসেবে বিদ্যুৎ বিল, পানির বিল, টেলিফোন বিল, হোল্ডিং ট্যাক্স পেপার ইত্যাদির ফটোকপি জমা দেওয়া যাবে।
  • বৈবাহিক অবস্থা পরিবর্তন হলে: এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্ট নবায়নের সময় যদি বৈবাহিক অবস্থা পরিবর্তিত হয় তবে বৈবাহিক অবস্থার প্রমাণ দেখাতে হবে। নতুন করে বিবাহিত হলে বিবাহ সনদ বা নিকাহনামা দেখাতে হবে। এবং তালাকপ্রাপ্ত হলে তালাকনামা দেখাতে হবে।

শেষকথা

অনেক দেশেই এখনো ই-পাসপোর্টের সুবিধা চালু হয় নি। ফলে এই দিক থেকে অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায়ই অনেকখানি এগিয়ে গিয়েছে বাংলাদেশ। যাদের জন্য পাসপোর্ট অনেক জরুরি একটি বিষয় ছিলো, তাদের কাছে এখন ই-পাসপোর্ট একটি নতুন ভরসার নাম। পুরাতন এমআরপি বাদ দিয়ে ই-পাসপোর্টে নবায়ন করার জন্য তাই অনেকেই চেষ্টা করছেন। তাই তাদের জন্য এই লেখাটি অনেকখানি সাহায্য করবে বলেই আশাবাদী। 

অনবরত জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

১) এমআরপি পাসপোর্টের মেয়াদ বাকি থাকলে সেটি কি রিনিউ করার পরে ই-পাসপোর্টের মেয়াদের সাথে যুক্ত হবে?

উত্তরঃ এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্টে রিনিউ করলে এমআরপি পাসপোর্টের মেয়াদ ই-পাসপোর্টের সাথে যুক্ত হবে না। ই-পাসপোর্টের মেয়াদ একদম শুরু থেকেই ৫ বছর অথবা ১০ বছর হিসাব করা হবে।

২) পাসপোর্ট রিনিউ করার সময় স্থায়ী ঠিকানা কি পরিবর্তন করা যাবে?

উত্তরঃ পাসপোর্ট রিনিউ করার সময় স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করা যায় না। শুধুমাত্র বর্তমান ঠিকানা চাইলে প্রয়োজনীয় প্রমাণ দেখিয়ে পরিবর্তন করা যায়।

৩) অনলাইনে পাসপোর্ট ফি পরিশোধ করলে তার রশিদ কিভাবে প্রদর্শন করবো?

উত্তরঃ অনলাইনে পাসপোর্ট ফি পরিশোধ করলে ফি পরিশোধের ট্রানজিশন আইডি ব্যবহার করতে হবে।

৪) ছোট বাচ্চাদের পাসপোর্ট নেওয়ার জন্যও কি বাচ্চাদেরকেই সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে?

উত্তরঃ  ১১ বছরের কম বয়সের বাচ্চাদের পাসপোর্ট চাইলে তার পিতামাতা বা বৈধ অভিভাবক সংগ্রহ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে পিতামাতা বা অভিভাবককে নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র, ই-পাসপোর্ট সংগ্রহের রশিদ ও পুরাতন মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট প্রদর্শন করতে হবে। 

৫) কেউ যদি অসুস্থ থাকে এবং পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে যেতে না পারে, তার করণীয় কি?

উত্তরঃ কেউ পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে উপস্থিত হতে না পারলে তাকে একটি ক্ষমতা হস্তান্তরের আবেদন পত্র লেখতে হবে। এরপর অন্য কোন ব্যক্তি ঐ ক্ষমতা হস্তান্তর পত্র, পুরাতন মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট, আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র, ই-পাসপোর্ট সংগ্রহের রশিদ প্রদর্শন করে পাসপোর্টটি সংগ্রহ করতে পারবে।

৬) জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য অনলাইনে না থাকলেও কি আবেদন করা যাবে?

উত্তরঃ জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য অনলাইনে না থাকলে সেটি ব্যবহার করে ই-পাসপোর্টের আবেদন করা যাবে না।

৭) বিদেশের দূতাবাস থেকে কি ২ দিনের অতি জরুরি ই-পাসপোর্ট নেওয়া যাবে?

উত্তরঃ অতি দ্রুত ২ দিনে পাসপোর্ট পাওয়ার সুবিধাটি শুধুমাত্র দেশের অভ্যন্তরীণ নাগরিকদের জন্য। দূতাবাস থেকে এই সুবিধা পাওয়া যাবে না।

 

তথ্যসূত্রঃ

১) epassport.gov.bd

রিলেটেড আর্টিকেল গুলো

39 কমেন্ট গুলো

  1. এমআরপি মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে। এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্ট নবায়ন ও তথ্য পরিবর্তন একইসাথে করা যাবে?

    1. জ্বী, এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্টে নবায়ন ও তথ্য পরিবর্তন একই সাথে করতে পারবেন।

      Progress Bangladesh এর সাথেই থাকুন।
      ধন্যবাদ। 😀

  2. আমার আইডি র্কাডে বয়স কম কিন্তু আমার এম আরপি পাসপোর্টে বয়স বেসি এখন আমি কি ই-পাসপোর্ট রিনিউ করতে পারবো?

    1. জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী বয়স দিয়ে আপনি স্বাভাবিকভাবেই ই-পাসপোর্টে রিনিউ করতে পারবেন।

      Progress Bangladesh এর সাথেই থাকুন।
      ধন্যবাদ। 😀

  3. পাসপোর্ট নবায়নের পর নতুন পাসপোর্টে কি আগের নাম্বার বহাল থাকবে নাকি নাম্বার পরিবর্তন হবে?

    1. না। নবায়নের পরে আপনাকে নতুন পাসপোর্টে নতুন নাম্বার দেওয়া হবে।
      Progress Bangladesh এর সাথেই থাকুন।
      ধন্যবাদ। 😀

  4. অফিসিয়াল পাসপোর্ট এর ক্ষেত্রে ই-পাসপোর্ট এর কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন?

  5. আমার পাসপোর্ট নাম, Md,Yousuf Hossain এবং ভোটার আইডি কাডে নাম, Md,Yousuf hossen.রিনিউ করতে কি কোন সমস্যা হবে।

    1. এধরণের সমস্যাকে সাধারণ নামের বানান ভুল হিসেবেই ধরা হয়। যা পাসপোর্ট নবায়ন করার সময় পরিবর্তনযোগ্য। তাই রিনিউ করার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী নামের বানান লিখলে কোন অসুবিধা ছাড়া সহজেই আপনি ই-পাসপোর্টে নবায়ন করতে পারবেন।

      Progress Bangladesh এর সাথেই থাকুন।
      ধন্যবাদ। 😀

  6. আমার এমআরপি পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ। এমআরপি পাসপোর্ট এর সাথে আমার ভোটার আইডি কাডের জম্ম তারিখ মিল নেই।এখন আমি কি আবার নতুন পাসপোর্ট করতে পারবো

    1. জ্বী, পারবেন। ই-পাসপোর্টের জন্য তথ্য প্রদান করার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী জন্ম তারিখ প্রদান করে ও অন্য সকল বিষয় স্বাভাবিকভাবেই সম্পন্ন করে ই-পাসপোর্ট তৈরী করতে পারবেন।

      Progress Bangladesh এর সাথেই থাকুন।
      ধন্যবাদ। 😀

  7. আমার স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজার, আমি আমার এমআরপি পাসেপোর্ট জন্মনিবন্ধন দিয়ে কক্সবাজার থেকে করছি।
    আমি লাস্ট ৪বছর ধরে ঢাকায় অবস্থান করছি। ইতোমধ্যে আমি NID ( স্মার্ট কার্ড নয়) পাইছি। আমি এখন ঢাকা থেকে ই-পাসপোর্ট রিনিউ করতে চাই। করতে পারব কিনা? ঢাকা থেকে ই-পাসপোর্ট করতে আমার কি করণীয়?

    1. হ্যাঁ, অবশ্যই পারবেন। এক্ষেত্রে আপনকে আপনার বর্তমান ঠিকানা অনুযায়ী ঢাকা জেলা ও থানার নাম উল্লেখ করে দিতে হবে। এবং অতিরিক্ত কাগজপত্র হিসেবে বর্তমান ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে ইউটিলিটি বিলের কাগজের কপি জমা দিয়ে হবে এরপর স্বাভাবিকভাবে বাকি কাজগুলো করলেই ঢাকা থেকে ই-পাসপোর্ট রিনিউ করে নিতে পারবেন।

      Progress Bangladesh এর সাথেই থাকুন।
      ধন্যবাদ। 😀

  8. আমার এমপিয়ার থেকে ই পাসপোর্ট করতে চায়।
    কিন্তু আমার আইডি কার্ড নেই জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার আছে।
    আমি ওমানে থাকি ভিসার খুব বেশি দিন নেই আমি এখন কী করতে পারি? আগামী এক মাসের মধ্যে যদি ই পাসপোর্ট বানাতে না পারি তাহলে আমার ভিসা বাতিল হয়ে যাবে ।
    দেশে ছুটিতে এসে আটকা পড়েছি এখন পাসপোর্ট কারণে যেতে পারছি না আমাকে একটু সাহায্য করা যাবে কী প্লিজ ?

    1. ই-পাসপোর্ট করতে হলে আবেদনকারীর বয়স ২০ বছরের বেশী হলে তাকে অবশ্যই এনআইডি কার্ড ব্যবহার করতে হবে। অর্থাৎ ২০ বছরের বেশী বয়সি আবেদনকারী গতানুগতিক পদ্ধতিতে ই-পাসপোর্ট করতে চাইলে জন্ম নিবন্ধন ব্যবহার করতে পারবেন না।
      তাই আপনার যদি এনআইডি না থেকে থাকে তাহলে আপনার উচিত হবে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা এবং সমস্যাটি খুলে বলা।

      Progress Bangladesh এর সাথেই থাকুন।
      ধন্যবাদ। 😀

  9. আমার পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে ১ মাস আগে। এখন আমি MRP থেকে ই-পাসপোর্টে রিনিউ করতে গেলে কি আমাকে ১ মাসের জন্য জরিমানা দিতে হবে???

    1. রিনিউ করার সময় এমআরপি অনুযায়ী জরিমানা প্রযোজ্য হলে অবশ্যই ই-পাসপোর্টে রিনিউ করার সময় ঐ জরিমানা প্রদান করতে হবে।

      Progress Bangladesh এর সাথেই থাকুন।
      ধন্যবাদ। 😀

    2. আমি বিদেশ থাকি কিন্তু আমার NID or Smart Cad নাই,,,এখন আমি কিভাবে পাসপোট নবায়ন করবো,,,অনলাইন জন্মনিবন্ধন কার্ড দিয়ে কি নবায়ন করা যাবে,,প্লিজ জানান।।

      1. আপনার বয়স যদি ২০ বছরের কম হয়ে থাকে তাহলে আপনি জন্ম নিবন্ধন ব্যবহার করেই আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু আপনার বয়স ২০ বছরের বেশি হলে আপনাকে অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করতে হবে।
        সেক্ষেত্রে যদি আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র না থেকে থাকে তাহলে আপনাকে প্রথমে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরী করে নিতে হবে। এবং তারপর সেটি ব্যবহার করে ই-পাসপোর্টে নবায়নের জন্য আবেদন করতে হবে।

        Progress Bangladesh এর সাথেই থাকুন।
        ধন্যবাদ। 😀

      2. এমআরপি পাসপোর্ট রিনিউ না করে আবার নতুন করে ই পাসপোর্ট করা যাবে কি? ভোটার আইডি কার্ডের বর্তমান ঠিকানা (ঢাকা) দিয়ে পাসপোর্ট করা ছিল। NID কার্ডে স্থায়ী ঠিকানা গ্রামের বাড়ি ও বর্তমান ঠিকানা ঢাকার ছিল এবং ঢাকার ভোটার আমি।এমতাবস্থায় স্থায়ী ঠিকানা দিয়ে কি আবার ই পাসপোর্ট করা যাবে?

        1. হ্যাঁ, এমআরপি পাসপোর্ট থেকে রিনিউ না করেই আবার নতুন করে ই-পাসপোর্ট তৈরী করা যাবে। কিন্তু সেক্ষেত্রে আপনাকে পুলিশ ভ্যারিফিকেশন করানো সহ আরো কিছু অতিরিক্ত কাজ করতে হবে।

          স্থায়ী ঠিকানা থেকেও চাইলে আপনি পাসপোর্ট তৈরী করতে পারবেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে ই-পাসপোর্ট তৈরীর সময় বর্তমান ঠিকানার স্থানে স্থায়ী ঠিকানাটাই লিখতে হবে।

          Progress Bangladesh এর সাথেই থাকুন।
          ধন্যবাদ। 😀

  10. আমার বাচচার স্হায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করতে চাই। পূর্ববর্তী ঠিকানার সব বিক্রি হয়ে গেছে। এখন করণীয় কি? তাছাড়া নামের আংশিক পরিবর্তন কি সম্ভব?

    1. স্বাভাবিকভাবে সাধারণত পাসপোর্টের স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করা যায় না। তাই স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করার জন্য পাসপোর্ট অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করুন।

      Progress Bangladesh এর সাথেই থাকুন।
      ধন্যবাদ। 😀

  11. ই-পাসপোর্ট রিনিউ করতে কি আবার পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের প্রয়োজন হবে?

    1. না, ই-পাসপোর্ট রিনিউ করতে নতুন করে পুলিশ ভ্যারিফিকেশন করার প্রয়োজন নেই।

      Progress Bangladesh এর সাথেই থাকুন।
      ধন্যবাদ। 😀

  12. আমার MRP পাসপোর্ট করার সময় ভোটার ID card দিয়ে করা।এখন আমার smart card। আমি e passport করার সময় NID এর জায়গায় কি smart card নাম্বার দিলে হবে?

    1. হ্যাঁ, হবে। নতুন ই-পাসপোর্ট করার সময় এর আগের এমআরপি পাসপোর্টের জন্য ব্যবহার করা পুরাতন এনআইডি এর তথ্যের প্রয়োজন নেই। ফলে আপনি ই-পাসপোর্টের জন্য নতুন স্মার্ট কার্ডের তথ্য ও নাম্বার ব্যবহার করতে পারবেন।

      Progress Bangladesh এর সাথেই থাকুন।
      ধন্যবাদ 😀

      1. আমার MRP পাসপোর্ট নাম সুধু তেফায়েল এখন রিনিউ করবো কিন্তু আমার ভোটার আইডি কাডে নাম মোঃতোফায়েল আহম্মেদ রিনিউ হবে

        1. নামের বানান পরিবর্তন করে সহজেই ই-পাসপোর্ট রিনিউ করা যাবে। সেক্ষেত্রে নবায়ন করার সময় নামের বানানের স্থানে মোঃতোফায়েল আহম্মেদ লিখে জমা দিতে হবে। এবং কাগজপত্রের সাথে অবশ্যই আপনার ভোটার আইডি কার্ডটির কপি জমা দিবেন। এতে নতুন ই-পাসপোর্টে আপনার ভোটার আইডি কার্ডটিতে উল্লেখিত নাম চলে আসবে।

          Progress Bangladesh এর সাথেই থাকুন
          ধন্যবাদ😀

      2. ভাই আমার NID কার্ডে স্থায়ী ঠিকানা গ্রামের বাড়ি ও বর্তমান ঠিকানা ঢাকার এবং ঢাকার ভোটার। এমতাবস্থায় নতুন করে কি ই পাসপোর্ট স্থায়ী ঠিকানা দিয়ে করা যাবে? আমার পাসপোর্ট করা আছে NID কার্ডের বর্তমান ঠিকানা( ঢাকার) দিয়ে। গত মাসে পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়েছে।আমি নতুন করে গ্রামের স্থায়ী ঠিকানা দিয়ে পাসপোর্ট করতে চাই তাহলে কি পারব?প্লিজ হেল্প

        1. হ্যাঁ, আপনি চাইলে আপনার গ্রামের স্থায়ী ঠিকানা থেকেও পাসপোর্ট তৈরী করতে হবে। সেক্ষেত্রে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার সময় প্রথমেই আপনার গ্রামের স্থায়ী ঠিকানাটির জেলার নাম ও থানার নাম উল্লেখ করে নিতে হবে। এবং পরবর্তীতে স্থায়ী ঠিকানা ও বর্তমান ঠিকানা একই দিতে হবে।

          Progress Bangladesh এর সাথেই থাকুন।
          ধন্যবাদ। 😀

    2. এম আর পি পাসপোর্ট রিনিউ করে ই-পাসপোর্টে আমার স্বাক্ষর পরিবর্তন করতে চাই।

      1. স্বাক্ষর পরিবর্তন করতে হলে পাসপোর্ট নবায়নের ফরমটি জমা দেওয়ার সময় সেখানকার কর্মকর্তাকে স্বাক্ষর পরিবর্তন করতে চাওয়ার বিষয়টি অবগত করতে হবে। এবং এরপর বায়োমেট্রিক মেশিনে স্বাক্ষর দেওয়ার সময় নতুন স্বাক্ষরটি প্রদান করতে হবে।

        Progress Bangladesh এর সাথেই থাকুন।
        ধন্যবাদ😀

  13. আমার এম আর পি পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ
    তাহলে কি আমি ই পাসপোর্ট করতে পারবো?
    আর আমার পাসপোর্ট এ বয়স কমাতে হবে কিভাবে?

    1. হ্যাঁ, এমআরপি পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও ই-পাসপোর্টে নবায়ন কর‍তে পারবেন।

      আপনার এমআরপি পাসপোর্টে যদি ভুল থেকে থাকে, তাহলে আপনি ফরম পূরণের সময় এনআইডি কার্ড অনুযায়ী সঠিক তথ্য দিয়ে আপনার বয়স কমাতে বা বাড়াতে পারবেন। কিন্তু এনআইডি কার্ডে বয়স ভুল থাকলে আপনাকে ভুল তথ্যই ব্যবহার করতে হবে। সেক্ষেত্রে অবশ্য চাইলে আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য সংশোধন করে নিয়ে পাসপোর্টে বয়স কমাতে পারবেন।

      Progress Bangladesh এর সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ। 😀

  14. পাসপোর্ট যেকোন জেলা হতে নবায়ন করা যাবে কিনা

    1. ইতিমধ্যে প্রায় সকল জেলাতেই ই-পাসপোর্ট নবায়নের কার্যক্রম শুরু হয়ে গিয়েছে। তাই এখন যেকোনো জেলা থেকেই নিকটস্থ ই-পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে নবায়নের কাজ করা যাবে।
      Progress Bangladesh এর সাথেই থাকুন।
      ধন্যবাদ। 😀

  15. আমার পাসপোট হারিয়ে গেছে এখন নাম বয়স এন আইডির সাথে মিল নাই নতুন পাসপোট করবো কি করে

    1. পাসপোর্ট তৈরীর সময় জাতীয় পরিচয়পত্রের সাথে আবেদনকারীর তথ্য মিল থাকা অনেকটাই বাধ্যতামূলক। কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্রে ভূল থাকলে সেক্ষেত্রে আপনাকে পাসপোর্টটি এনআইডি কার্ডের সাথে মিল রেখে ভূল তথ্য দিয়েই তৈরী করতে হবে। এবং এছাড়াও আপনি চাইলে আপনার এনআইডি কার্ডটির ভুল গুলো অনলাইনে, https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/?session-expired=true এখান থেকে শুধরে নিতে পারবেন এবং সঠিক তথ্য দিতেই পাসপোর্ট তৈরী করতে পারবেন।
      Progress Bangladesh এর সাথেই থাকুন, ধন্যবাদ। 😀

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button