Why Do Bihango Paribohon Buses Constantly Face Fire Bomb Attacks?

burnt bus

Special correspondence: Many have the question as to why the repeated fire attacks and petrol bombings strike Bihongo bus company. This question has already inflicted ambiguity among many but as the government shows no headache regarding the matter, the frequent incidents seem preplanned. Many suspect that such occurrences are nothing but entrapping the opposition parties. Moreover, such doubts are reinforced due to the immediate huge coverage on print and electronic media after the attacks.

On November 28 2013 in the evening, thugs put fire on a Bihongo bus at the opposite lane of Shahbag Shishupark in Dhaka . As a result of such activity, at least twenty passengers were injured with burns. In addition, the rest of the passengers panicked and tried to rush out of the bus with the hope to save their lives and suffered serious injury. 18 among the injured ones were taken to the burn unit of Dhaka Medical where three of them died.

Maruf Hossain Sarder who is the deputy commissioner of Ramna thana informed that the miscreants hurled a petrol bomb right at the passenger filled Bihongo Paribohon bus heading for Pallabi from Gulistan, the opposite lane of Shahbag shishu Park. The bus burnt down at once blazing at least 18 people. The additional commissioner of Ramna zone, Shibly Roman alleged that the attack was preplanned. However, at the end no attempt from the police side has been seen to reveal the plotters of this planned activity.

Two days after the incident, on first December 2013 noon, a bus of Bihongo Paribohon caught fire which was heading for Mirpur from Adalot Para of Old Dhaka. The driver of the bus, Chanchal, told that a youth poured petrol inside the bus and started the fire while passengers were boarding it. The fire engulfed two of the seats of the bus and before causing more damage the bystanders put out the fire. A suspect named Hridoy Khan has been arrested for this by Kotwali Thana’s police but progress is yet to be seen as Hridoy’s deposition was not taken by the police. Thus the incident went under the sand.

After only a day of the incident another passenger-filled bus of Bihongo Paribohon went ablaze at the adjacent road of Eidgah Math in Pallabi as seen by many. Recently NewAge editor, Nurul Kabir, raised question regarding the issue. While talking at a talk show aired by a private channel Nurul Kabir said the bus at Shahbag which was burned down was a bus of Bihongo Poribohon. Previously, another bus caught fire which belonged to the identical Bihongo Paribohon and in the next day one more bus of the same company was attacked as well. He said that the government cannot avoid taking the liability regarding such repeated attack on Bihongo Paribohon whose owner and chairman is no one but the chairman of Shechchashebok League (the volunteer wing of Awami League). He believes that the government has no scope to escape liability and to blame the oppositions for such activity as the three consecutive attacks on Bihongo Paribohon speak for themselves. Nurul Kabir demanded its answer from the government.

Kabir added further, “I am not provided with another answer by the government of the question I put earlier in respect of the fact that how was it possible for a BRTC bus of Norshingdi to catch fire in Azimpur?” Investigation reports suggest that the chairman of the Bihongo Poribohon Company is Pankaj Deb Nath who is the president of the collaborating organisation of Awami League called Shechchshebok League. Despite being a lifelong politician he has turned into a businessman all of a sudden during the rule of this coalition Awami League led government and engaged himself in Transport business. Around 30 to 35 buses of the company are running in the roads of the capital but transport authority informed that almost all the buses are very old. Some of the buses lack fitness guarantee or in some cases gained fitness certificate by lobbying.

It has come to be known after talking to the labour and owner association that regardless of being unfit to run in the roads the buses carry a defiant attitude. As the buses belong to the Awami associated leaders, the traffic police lack the courage to confront the bus drivers. The managing director of the Bihongo Paribohon was once the helper of the same bus. By joining the leaders he has also turned into the managing director of the company. The continuous petrol and bombing attack on the buses of the company thus forced many to raise question similar to those raised by New Age Editor Nurul Kabir.

One of the transport owners on condition to remain anonymous informed that a few days ago the bus of Bihongo Poribohon was used to obstruct the convoy of BNP chairperson Khaleda Zia. According to the observation of the owner, it is possible to frame the opposition party by using the buses of the same company. He believes that some media organisations are also responsible for this as right after the incidents took place they did not spend a moment to cover and expose them profusely. Further, without even a primary investigation the opposition parties are unilaterally being blamed for such occurrences by those media. However, no analysis is being carried out in order to disclose the names of the owners of the buses or how actually the incidents are taking place. Even more surprising is that after each incident no further inspection is being undertaken.


Translated from the Original Bangla article by The Daily Inqilab:

বিহঙ্গ পরিবহনের বাসে বারবার আগুন বোমা কেন?
বিশেষ সংবাদদাতা : হরতাল-অবরোধে বারবার কেন বিহঙ্গ পরিবহনের বাসেই আগুন লাগছে, পেট্রোল বোমা নিক্ষেপের ঘটনা ঘটছে- এ প্রশ্ন এখন অনেকেরই। ইতোমধ্যে এই প্রশ্নকে ঘিরে নানা রহস্য জন্ম নিলেও এ নিয়ে সরকার বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো মাথাব্যাথা না থাকায় ঘটনাগুলো ‘পরিকল্পিত’ বলেই অনেকেরই ধারণা। বিরোধী দলকে ফাঁসানোর জন্যই এমন নির্মম ঘটনা ঘটানো হচ্ছে বলে অনেকেই মনে করছেন। আর বাসগুলোতে আগুন বা পেট্রোল বোমা নিক্ষেপের পর পরই কতিপয় মিডিয়ায় ফলাও করে সেই ঘটনার প্রচার ও প্রকাশ সেই সন্দেহকে আরও জোড়ালো করেছে। গত ২৮ নভেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে শিশু পার্কের বিপরীত পাশের রাস্তায় বিহঙ্গ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। এতে বাসের অন্তত ২০ জন যাত্রী অগ্নিদগ্ধ হয়। এছাড়া প্রাণ বাঁচাতে তাড়াহুড়া করে নামতে গিয়ে আহত হন অপর যাত্রীরা। আহতদের মধ্যে অগ্নিদগ্ধ ১৮ জনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হলে সেখানে তিনজনের মৃত্যু হয়। রমনা জোনের উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার সে সময় জানান, সন্ধ্যায় শিশু পার্কের বিপরীতে গুলিস্তান থেকে পল্লবীগামী বিহঙ্গ পরিবহনের ওই যাত্রীবাহী বাসটি লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা ছুড়ে মারে দুর্বৃত্তরা। মুহূর্তেই বাসটিতে আগুন ধরে যায়। এতে কমপক্ষে ১৮ জন দগ্ধ হয়। রমনা জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) শিবলী নোমান এটিকে পরিকল্পিত ঘটনা বলে উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ‘পরিকল্পিত’ ঘটনার পরিকল্পনাকারী কারা-তা উদ্ধারে পুলিশের কোন তৎপরতা দেখা যায়নি। এর দু’দিন পর ১ ডিসেম্বর দুপুরে পুরান ঢাকার আদালত পাড়ায় সদরঘাট থেকে মিরপুরগামী বিহঙ্গ পরিবহনের একটি বাসে আগুন দেয়া হয়। ওই বাসের চালক চঞ্চল জানান, বাসে যাত্রী তোলার সময় এক যুবক জানালা দিয়ে পেট্রোল ঢেলে গাড়িতে আগুন দেয়। এতে গাড়ির দুটো আসন পুড়ে যায়। আশপাশের লোকজন এসেই আগুন নিভেয়ে ফেলে। এ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে হৃদয় হোসেন নামে একজনকে আটক করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হৃদয়ের কোনো জবানবন্দি নেয়া হয়নি। ঘটনাটি ধামাচাপাই পড়ে গেছে। এ ঘটনার পরদিন ২ ডিসেম্বর রাতে পল্লবীর ঈদগা মাঠ-সংলগ্ন সড়কে বিহঙ্গ পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটে। কয়েকদিন আগে এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন নিউএজ সম্পাদক নূরুল কবির। বেসরকারি টেলিভিশনের এক ‘টকশোতে’ নুরুল কবির বলেন, শাহবাগে বাসে পেট্রোল বোমা মারা হয়েছে সেটা ছিল বিহঙ্গ পরিবহনের। এর আগে আরেকটি বাস পোড়ানো হয়েছে সেটাও বিহঙ্গ পরিবহনের, পরদিন আরো একটি বাসে পেট্রোল বোমা ছুড়ে মারা হলো সেটিও বিহঙ্গ পরিবহনের। তিনি বলেন, বারবার কেন শুধু বিহঙ্গ পরিবহনের বাসেই আগুন লাগছে সেটিও সরকার প্রমাণ করার আগে এই দায় এড়াতে পাওে না যেখানে বিহঙ্গ পরিবহনের মালিক ও চেয়ারম্যান হচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি। অন্তত বিহঙ্গ পরিবহনের বাসে আগুনের পরপর তিনটি ঘটনার বিষয়ে বিরোধী দলের ওপর দায় চাপাতে সরকারের হাত নেই তা আমি বিশ্বাস করতে পারি না। নুরুল কবির এ ব্যাপারে সরকারের জবাব চান। তিনি আরো বলেন, এর আগে আমি যে প্রশ্ন করেছিলাম বিআরটিসির নরসিংদীর বাস আজিমপুর গিয়ে কীভাবে পুড়লো এরও কোনো জবাব সরকারের কেউ দিতে পারেনি। অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিহঙ্গ পরিবহন কোম্পানির চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পঙ্কজ দেব নাথ। সারাজীবন রাজনীতি করলেও জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাতারাতি তিনি পরিবহন ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। বিহঙ্গ পরিবহন কোম্পানি করে ৩০/৩৫টি বাস ঢাকার রাজপথে চলতে থাকে। তবে পরিবহন মালিকরা জানান, বিহঙ্গ পরিবহনের বেশিরভাগ বাসই অতি পুরাতন। কয়েকটি বাসের ফিটনেসও নেই। আবার কয়েকটির ফিটনেস নেয়া হয়েছে তদবির করে। মালিক শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, লক্কর-ঝক্কর মার্কা হলেও বিহঙ্গ পরিবহনের বাস চলতো বীরদর্পে। ‘দাদার গাড়ি’ বলে ট্রাফিক পুলিশও বিহঙ্গের বাসের দিকে তাকাতেও সাহস করতো না। এই কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক খোকন এক সময় বাসেরই হেলপার ছিলেন। দাদার সাথে যোগ দিয়ে তিনিও রাতারাতি কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বনে গেছে। সেই বিহঙ্গের বাসে বারবার আগুন ও পেট্রোল বোমা নিক্ষেপের ঘটনায় বিশিষ্ট সাংবাদিক নুরুল কবিরের মতো অনেকেরই মনে প্রশ্ন জন্ম দিয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন মালিক জানান, কয়েক মাস আগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়ির বহরকে আটকিয়ে দেয়ার জন্য এই বিহঙ্গ পরিবহনের বাসকেই ব্যবহার করা হয়েছিল। ওই মালিকের মতে, বিরোধী দলকে ফাঁসানোর জন্য একই পরিবহনের বাসকে ব্যবহার করা হতেই পারে। এ কাজে কতিপয় মিডিয়াও দায়ী বলে তিনি মনে করেন। তার মতে, ঘটনাগুলো ঘটার সাথে সাথে কতিপয় মিডিয়া ফলাও করে ঘটনাগুলো প্রকাশ করে। যেখানে কোনো প্রাথমিক তদন্তের আগেই বিরোধী দলকে একতরফাভাবে ওইসব ঘটনার জন্য দায়ী করা হচ্ছে। কিন্তু কার গাড়ি, কে ঘটালো, কোথায়-কখন ঘটলো তার কোনো বিচার বিশ্লেষণ করা হচ্ছে না। এমনকি ঘটনাগুলো ঘটার পর রহস্যজনক কারণে এর তদন্তও এগুচ্ছে না।

Further reading:

Prothom Alo

BD Tomorrow

Relevant videos:

Nurul Kabir on Bangla Vision